ভক্তসঙ্গে তীর্থ দর্শন, পূণ্যভূমী- তীর্থক্ষেত্র , গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রের মহিমা ও এসংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণ।

গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র গুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত, সেখানে কীভাবে যাবেন? তীর্থক্ষেত্র দর্শনে যেয়ে কোথায় থাকবেন, কি খাবেন ইত্যাদি বিষয়ে ভগবদ্ভক্তদের বাস্তব অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ।

  • শ্রীজগন্নাথ মন্দির

    রাজাপুর

    মধুব্রত দাস

    এমন অনেক স্থান আছে আমরা হয়ত তার কাছেই বাস করি কিম্বা নিত্য সেই স্থানটির পাশ দিয়ে আমাদের যাওয়া - আসা, কিন্তু পারমার্থিকভাবে সেই স্থানটির যে কতখানি মাহাত্ম্য তা আমরা জানতেও পারি না। আসলে এ যুগে নিজে থেকে সবকিছু জেনে নেবার আগ্রহ বা সময় কোথায় মানুষের ? বিশেষত তা যদি হয় ভগবান কেন্দ্রিক , তাহলে তো আরও সময় নেই। যুগটাই যে এখন প্রচার কেন্দ্রিকতার যুগ। যা প্রচারিত , মানুষ সেটুকুই জানতে পারছে। এই যে মায়াপুর ধাম , এই শ্রীধাম মায়াপুরের কথাই আগে কটা লোক জানত ! বিশেষ করে আজ থেকে পঁচিশ ত্রিশ বৎসর আগেও মানুষ মায়াপুরকে এভাবে জানত না , যতটা না আজ জানে। এখন তাই প্রতিদিনই সহস্রাধিক ভ্রমণার্থী বা দর্শনার্থীর ভীড় এই মায়াপুরে। আমরা তাই মায়াপুরে যাই , কিন্তু রাজাপুরে যাই না।

       ভাবছেন , লেখক এসব কি বলছেন ! মায়াপুরের সঙ্গে রাজাপুরের তুলনা করছেন কেন ? আর মায়াপুরে গেলেই রাজাপুরে যেতে হবে কেন ? রাজাপুরটি কোথায় ? সেখানে কি আছে ?

       না। মায়াপুরের সঙ্গে রাজাপুরের তুলনা করছি না। আর সেটা করবই বা কি করে ! আসলে রাজাপুর তো সামগ্রিক বিচারে মায়াপুরেরই একটি অঙ্গ ।

       বরং বলি , মায়াপুরে গিয়ে রাজাপুর না গেলে মায়াপুর দর্শনই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। অথচ নিজস্ব গাড়ী করে বা বাসে করে সড়ক পথে যখন আপনি মায়াপুর ইসকন মন্দির দর্শন করতে যাচ্ছেন বা দর্শন করে ফিরে আসছেন , আপনাকে এই রাজাপুরের পাশ দিয়েই যেতে হচ্ছে। কিন্তু আপনি জানেন না আপনি এক অপূর্ব মহিমাময় স্থান দর্শন না করে ফিরে যাচ্ছেন। এখানেই রয়েছে সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এক জগন্নাথ মন্দির। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন এই জগন্নাথ মন্দির নাকি খুবই জাগ্রত।

       এককালে এই অঞ্চলটি ছিল শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের ভক্ত শবরগণের পল্লী। সেই সময় থেকেই এই অঞ্চলটি ‘ শবরডাঙা ' নামে পরিচিত ছিল। কালক্রমে নামটি অপভ্রংশ হয়ে শুধু ' শরডাঙা ' নাম নেয়। পরবর্তীকালে এই ভূখণ্ডে বহু রাজা মহারাজা বসবাস করে গেছেন। সর্বশেষ বাংলার সেন বংশের রাজাগণ এই স্থানে বসবাস করে গেছেন। বল্লাল সেনের পুত্র শ্রীলক্ষ্মণ সেনের ভগ্ন রাজপ্রাসাদের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন আজও এখানে রয়েছে , যা এ অঞ্চলে ‘ বল্লাল ঢিপি ' নামে খ্যাত ৷ ‘ শ্রীনবদ্বীপধাম মাহাত্ম্য ’ ও ‘ নদীয়ার পুরাকীর্তি ' নামক ইতিহাস গ্রন্থগুলিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রমাণ রয়েছে। রাজা মহারাজারা বাস করতেন বলে কালক্রমে সেই প্রাচীন ' শবরডাঙ্গা ' বা ' শরডাঙ্গা ' অঞ্চল ' রাজাপুর ' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

       শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুর তাঁর ' শ্রীনবদ্বীপধাম মাহাত্ম্য ' গ্রন্থের ষষ্ঠ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন , শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু শ্রীজীব গোস্বামীকে নিয়ে নবদ্বীপ মণ্ডল পরিক্রমাকালে এই ' শরডাঙ্গা ' স্থান দেখিয়ে বলছেন—

    তথা গিয়া শ্রীজীবেরে বলেন বচন।
    ঐ দেখ ‘ শরডাঙ্গা ’ অপূর্ব দৰ্শন ॥
    শ্রীপুরুষোত্তমসম ঐ ধাম হয়।
    নিত্য জগন্নাথ স্থিতি তথায় নিশ্চয় ॥

       অর্থাৎ , স্বয়ং নিত্যানন্দ প্রভুর উক্তি থেকে আমরা এটুকু নিশ্চিত হতে পারি যে নবদ্বীপ মণ্ডলের অন্তর্গত এই শবরডাঙ্গায় ( বর্তমান রাজাপুর ) শ্রীশ্রীজগন্নাথদেব নিত্যত বিরাজ করছেন।

       আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে একসময় এই অঞ্চলটি ছিল শ্রীশ্রীজগন্নাথ ভক্ত শবরদের বাসস্থান। এখানে শবরগণের পূজিত শ্রীজগন্নাথ , বলদেব ও শ্রীশ্রীসুভদ্রাদেবীর বিগ্রহও ছিল সে কথাও শোনা যায়। কালক্রমে শবরগণ এই অঞ্চল থেকে অন্তর্হিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিগ্রহও অন্তর্হিত হয়ে যান। বিগ্রহসহ শবরগণ কিভাবে এই অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে লুপ্ত হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর যথার্থ ইতিহাস আজ আর পাওয়া যায় না। কিন্তু তাঁরা একসময় যে এখানে অবস্থান করতেন বিভিন্ন প্রাচীন কাহিনী বা কারোর উক্তির মাধ্যমে সে প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু মহাজনগণের কথায় যেহেতু আমরা জানতে পারি যে ‘ নিত্য জগন্নাথ স্থিতি তথায় নিশ্চয় ' তাই আমরা দেখতে পাই যে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেব এখানে নিজেকে প্রকাশ করে অন্তর্হিত হলেও তিনি নিজেকে এখানে বারবার প্রকাশ করেন। ভক্ত শবরগণের বাসকালীন সময়ে তিনি এস্থানে প্রকাশিত থেকেছেন এবং পরে অন্তর্হিত হয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় কাহিনী অনুসারে আজ থেকে প্রায় আড়াইশত তিনশত বৎসর আগে তাঁর এক ঐকান্তিক ভক্ত জগদীশ গাঙ্গুলীর মাধ্যমে তিনি এই স্থানে পুনরায় নিজেকে প্রকাশ করেন। কাহিনীটি এরকম—

       আজ থেকে প্রায় আড়াইশ / তিনশ বৎসর আগে প্রাচীন ‘ শরডাঙ্গা ' তথা ‘ রাজাপুর ’ নামক এই অঞ্চলে শ্রীযুক্ত জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায় নামে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের এক পরম ভক্ত বাস করতেন। তাঁর পত্নী সুষমা দেবীও ছিলেন স্বামীর ন্যায় ভক্তিপরায়না। এই ভক্ত দম্পতি প্রতি বৎসরই রথযাত্রার সময় জগন্নাথদেবকে দর্শন করার জন্য পুরীধামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতেন। কিন্তু কালে কালে তাঁর বয়স বাড়তে থাকে এবং এক সময় কোন কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ফলে তাঁর দুটো চোখই অন্ধ হয়ে যায়। তাই অন্ধত্বের জন্য সেই বৎসর রথযাত্রার সময় জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায়ের পুরীধামে যাওয়া হল না । তার অঞ্চলের অনেকেই সেই বৎসর রথযাত্রার সময় পুরীধামে যাত্রা করলেন । কিন্তু কেউই , তিনি অন্ধ বলে তাঁকে নিয়ে যেতে রাজী হলেন না ।

        তিনি অন্ধ হয়ে গিয়েছেন । এখন আর তাঁর আরাধ্য দেবতার বিগ্রহ দর্শন করতে পারবেন না , পুরীধামে যাত্রা করতে পারবেন না , রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না — এই দুঃখগুলি , তাঁর কাছে অসহনীয় হয়ে উঠল । তিনি ভাবতে লাগলেন এ জীবনে আর বেঁচে থেকেই বা কি লাভ ! ভক্তির পরম আবেগ , অভিমান ও দৈন্যে মিশ্রিত হৃদয়ে তিনি জগন্নাথের চরণের উদ্দেশ্যে দূর থেকেই অশ্রু বর্ষণ করতে করতে কাতর প্রার্থনা করতে লাগলেন যেন ভগবান তার এই অসমর্থ দেহের অবসান ঘটান । পরম কৃপাময় পরমেশ্বর ভগবান জগন্নাথ অবশেষে যেন ভক্তের সেই তীব্র প্রার্থনা শুনতে পেলেন । গভীর রাত্রে নিদ্রাচ্ছন্ন জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায় স্বপ্নাদেশ পেলেন— “ দুঃখ করো না । আগামী কাল প্রত্যুষে তুমি গঙ্গাস্নানে যাও । সে সময় তোমার কাছে একটি কাষ্ঠখণ্ড ভেসে আসবে । সেই কাষ্ঠখণ্ড নিজ গৃহে বয়ে এনে বামনপুকুরবাসী এক কুষ্ঠরোগগ্রস্ত সূত্রধরকে দিয়ে আমার বিগ্রহ নির্মাণ করে তা প্রতিষ্ঠিত করে নিত্য পূজাদির ব্যবস্থা করবে । "

        স্বপ্নাদেশ পেয়ে রোমাঞ্চিত , পুলকিত , উৎকণ্ঠিত ভক্ত জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায় প্রত্যুষে গঙ্গাস্নানে গেলেন । গঙ্গাজলে প্রথম ডুব দেওয়ার পরই তিনি অনুভব করলেন তার মাথায় যথার্থই কি যেন স্পর্শ করছে । জল থেকে মাথা তুলে তিনি দেখলেন , সেটি একটি সুদৃশ্য কাষ্ঠখণ্ড । আনন্দে , কম্পিত বিস্ময়ে তিনি হৃদয়ঙ্গম করলেন সেই দিব্য কাষ্ঠখণ্ডের স্পর্শে তিনি তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন । সবকিছু তিনি আবার আগের মতো দেখতে পারছেন ।

        শ্রীভগবৎ স্পর্শানুসখে বিহ্বল হয়ে কাষ্ঠখণ্ডটিকে সযত্নে মস্তকোপরে গ্রহণ করে তিনি দ্রুত তাঁর গৃহ অভিমুখে চললেন । এরপর নিকটস্থ বামুনপুকুর নিবাসী এক কুষ্ঠরোগাক্রান্ত সূত্রধরেরও খোঁজ পেলেন তিনি । তাঁকে দিয়ে শ্রীশ্রীজগন্নাথ , বলদেব ও সুভদ্রামহারাণীর শ্রীবিগ্রহ নির্মাণ করিয়ে তা প্রতিষ্ঠিত করলেন ঠিক এখন যেখানে রাজাপুরের জগন্নাথ মন্দিরটি অবস্থিত , সেই স্থানটিতে । সেই বিগ্রহত্রয় নির্মাণের পর কুষ্ঠরোগাক্রান্ত সেই সূত্রধরেরও কুষ্ঠরোগ সেরে গেল ।

        পরম ভক্ত জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয় যতদিন জীবিত ছিলেন , ততদিন এই বিগ্রহত্রয়ের নিত্য আরাধনা করতেন। তাঁর লোকাত্তরের পর তাঁর সুযোগ্যা সহধর্মিনী সুষমা দেবী এই বিগ্রহ অৰ্চনা ও নিত্য সেবাদি করতেন। কিন্তু যেহেতু গঙ্গোপাধ্যায় দম্পতির কোন সন্তানাদি ছিল না তাই সুষমা দেবীর পরলোক প্রাপ্তির পর এই বিগ্রহ ও মন্দির সংস্কারহীন অবস্থায় দীর্ঘকাল পড়ে থাকে। গঙ্গোপাধ্যায় দম্পতির সম্পত্তির ওয়ারিশগণও সেবা কার্য চালাতেন না। বরং তারা বিভিন্ন জমি বিক্রি করে দিতে থাকলেন। ক্রয়সূত্রের অধিকারে জমি ও মন্দিরের নতুন মালিক তৎকালীন বামনপুকুর নিবাসী পুরোহিত জীবনচন্দ্র চক্রবর্তীকে দিয়ে এই মন্দিরের নিত্য পূজা চালু করলেও পরে অপারগ হয়ে সেবাকার্য বন্ধ করে দেন। এরপর মন্দিরটি দীর্ঘকাল ভগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে একসময় বিগ্রহ চাপা পড়ে যান।

       এইভাবে ক্রমে সময় অতিবাহিত হয়ে চলে। রাজাপুরের মন্দির ও জগন্নাথবিগ্রহেরও কোন চিহ্ন থাকে না। চারদিকে জঙ্গল ও উঁচু উঁচু ঢিবি। কিন্তু যে জগন্নাথের এ স্থলে নিত্যকাল স্থিতি , তিনি কি দীর্ঘকাল অন্তর্হিত থাকতে পারেন ? আজ থেকে প্রায় ৬৫/৭০ বৎসর আগে ঐ অঞ্চলে মাটি কাটার শ্রমিকেরা মাটি কাটতে কাটতে একটি উইঢিবির তলদেশে জগদীশ গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই প্রাচীন মন্দিরের নিদর্শন ও শ্রীজগন্নাথ , বলদেব , সুভদ্রা মহারাণীর বিগ্রহত্রয়কে আবিষ্কার করলে পর স্থানীয় ব্রাহ্মণ ও ভক্ত শ্রীযুক্ত ফটিকচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মন্দিরটির সংস্কারের দায়িত্ব গ্রহণ করে নিত্য পূজা অর্চনা শুরু করেন। এই সময় ভক্তজনসাধারণের উদ্যোগে এখানে একটি নাটমন্দিরও নির্মিত হয়। কিন্তু ক্রমে আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও বৃদ্ধ বয়সের অসমর্থতা হেতু শ্রীযুক্ত চট্টোপাধ্যায় ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরের সম্পূর্ণ ভার আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘকে দান করলেন ।

       আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের তত্ত্বাবধানে মন্দিরটি নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে এবং শাস্ত্রবিহিত মতে নিত্যপূজা ও উৎসবাদি সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন হয়ে আসছে। এই মন্দিরের মূল উৎসব হচ্ছে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব। নানাস্থান থেকে হাজার হাজার ভক্ত তখন শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবকে স্নান করিয়ে দিব্য আনন্দ লাভের জন্য সেখানে উপস্থিত হন। এই মন্দিরের পরিবেশটি এতটাই স্বর্গীয় সুষমায় পূর্ণ যা লিখে বোঝানো যাবে না। কেবলমাত্র দর্শনের মাধ্যমেই তা উপলব্ধি করা যায়। ভবিষ্যতে এখানে এসে থাকবার জন্য একটি বড় অতিথিশালারও পরিকল্পনা রয়েছে। এখানেই গড়ে উঠেছে ইসকনের পরিচালনায় রাজাপুর বস্ত্রবয়ন কেন্দ্র ।

       রাজাপুরের এই জগন্নাথ মন্দিরে পৌঁছানোর রাস্তাটিও খুব সোজা। কৃষ্ণনগরের জাতীয় সড়ক সংলগ্ন চৌগাছা দিয়ে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে যাবার একমাত্র পথটি ধরে আসবার সময় বামনপুকুর ও সাতপুকুরের মধ্যবর্তী স্থানে রাজাপুর মোড় নামক একটি বাস স্টপেজ রয়েছে। সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে একটি পথ চলে গেছে। সেই পথ ধরে প্রায় ১৫/২০ মিনিট হাঁটলেই আপনি পৌঁছে যাবেন রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে। যদি কেউ ইসকন মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় রাজপুর মন্দির দর্শন করতে চান বা গাড়ি ভাড়া করে সেখানে যেতে চান তাহলে ইসকন মন্দিরের চক্র বিল্ডিঙের ১০৭ নম্বর রুমে যোগাযোগ করলে , ওখান থেকেই সব ব্যবস্থা করে দেবে। কেউ যদি ভক্তসঙ্গে রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ গ্রহণে ইচ্ছুক থাকেন তাহলে মন্দির কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে জানাতে হবে। এ ব্যাপারে কী করণীয় তা ফোনে মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জেনে নেবেন। জগন্নাথ মন্দিরের ফোন নম্বর হল- ( ০৩৪৭২ ) ২৪৫৫০০ অথবা ২৪৫৭৪১।

       এবার থেকে মায়াপুরে এলে আপনারা নিশ্চয়ই রাজাপুরেও আসবেন। শ্রীমৎ নিত্যানন্দ প্রভু কথিত “ নিত্য জগন্নাথ স্থিতি তথায় নিশ্চয় ” কথাটিকে স্মরণে রেখে শ্রীশ্রীজগন্নাথ , বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণীর সেই দিব্য , প্রাচীন বিগ্রহত্রয়কে দর্শন করে আপনার শ্রীধাম মায়াপুর দর্শনকে পূর্ণ করে তুলবেন ।

  • এছাড়াও দেখতে পারেন => পূর্বোল্লিখিত তীর্থস্থান একচক্রা অথবা তীর্থস্থান পানিহাটি
  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.