ভক্তসঙ্গে তীর্থ দর্শন, পূণ্যভূমী- তীর্থক্ষেত্র , গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রের মহিমা ও এসংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণ।

গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র গুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত, সেখানে কীভাবে যাবেন? তীর্থক্ষেত্র দর্শনে যেয়ে কোথায় থাকবেন, কি খাবেন ইত্যাদি বিষয়ে ভগবদ্ভক্তদের বাস্তব অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ।

  • শ্রীরামচন্দ্রের বনবাসস্থলী

    নাসিক

    অদ্ভূত হরি দাস

    সংস্কৃতের নাসিকা শব্দটি থেকে এই নাসিক নামটির উৎপত্তি । কথিত আছে এই জায়গাটিতেই লক্ষণ রাবণের ছোট বোন সূর্পনখার ‘ নাসিকা কর্তন ' করেছিলেন অর্থাৎ নাক কেটেছিলেন । সেই কাহিনী সূত্রেই এই জায়গাটি হল নাসিকা - স্থলী । কালে কালে অপভ্রংশ হয়ে এই পবিত্র তীর্থ স্থানটির নাম এখন নাসিক ।

        তাঁর চৌদ্দ বৎসর বনবাসকালে শ্রীরামচন্দ্র যখন অগস্ত্য মুনির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে কোথায় তিনি তাঁর কুটির নির্মাণ করবেন , অগস্ত্য মুনি তাঁকে তখন এই স্থানটি নির্দেশ করেছিলেন । রামায়ণে বাল্মিকীর বর্ণনা অনুযায়ী সেই সময়ে নাসিক জায়গাটি ছিল প্রাকৃতিক প্রাচুর্যে ভরা আকর্ষণীয় ও শান্তিপূর্ণ এক স্থান । সেখানে গোদাবরী নদীর সন্নিকটস্থ পঞ্চবটী । ' পঞ্চবটী ' কথাটির অর্থ হল যে স্থানে একসঙ্গে পাঁচটি বট বৃক্ষ অবস্থান করছে । এখনও এখানে পঞ্চবটী রয়েছে , পাঁচটি বট গাছ একত্রে অবস্থান করছে । যদিও সেই স্নিগ্ধ অরণ্য আর নেই । কালের প্রভাবে গোদাবরী তীরে এখন নাসিক শহর আর অনেক মন্দির । এই পঞ্চবটী স্থানটি প্রসঙ্গে রামায়ণে বাল্মিকী মুনি বর্ণনা করছেন— “ রাম লক্ষণ ও সীতা পঞ্চবটীতে এসে পৌঁছলে রাম চারদিকে নিরীক্ষণ করতে করতে বললেন , “ লক্ষণ , এই হচ্ছে সেই স্থান যার কথা অগস্ত্য মুনি বর্ণনা করেছিলেন । দেখ , বৃক্ষ সকল এখানে প্রস্ফুটিত ফুল ভারে ঝুঁকে রয়েছে আর নদীটি কত কাছে । এটি অবশ্যই পঞ্চবটী হবে । চারিদিকে চেয়ে দেখ লক্ষণ , কেননা আমি কি ধরনের স্থান পছন্দ করব সে কথা একমাত্র তুমিই ভালো জানবে । যেখানে আমাদের দৈনন্দিন ভগবৎ - আরাধনা সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট জল থাকবে এমনই একটি স্থান খুঁজছিলাম , যাতে সীতাও খুশী হবে এবং আমরা শান্তিতে বাস করব । চারিদিকে অবশ্যই বৃক্ষরাজি থাকবে এবং সমিধূ , দূর্বা ও ফুল হাত বাড়ালেই পাওয়া যাবে । আর এই হচ্ছে সেই স্থান । এখানেই তুমি আমাদের জন্য আশ্রম নির্মাণ কর । "

        আমার নাসিক গিয়ে পৌছানোর প্রথম দিনেই আমার গাইড যোগেশ প্রস্তাব করল , চলুন আমরা প্রথমেই ত্রিম্বকেশ্বর মন্দিরটি দেখে আসি । নাসিক থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে একটি ছোট গ্রামে এই মন্দির অবস্থিত । এটি হচ্ছে ভগবান শিবের মন্দির । ত্রি , অম্বক ও ঈশ্বর এই তিন শব্দের সন্ধিতে ত্রিম্বকেশ্বর । ত্রি অর্থ তিন , অম্বক অর্থ চক্ষু এবং ঈশ্বর শব্দের অর্থ নিয়স্তা । তাই ত্রিম্বকেশ্বর নামটির অর্থ হচ্ছে তৃতীয় নয়ন বিশিষ্ট ঈশ্বর বা নিয়স্তা । এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান , কেননা ত্রিম্বকেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গের অন্তর্গত যেখানে শিব স্বয়ং প্রকাশিত হয়েছিলেন । তিনি এখানে গৌতম মুনির তপশ্চর্যায় সন্তুষ্ট হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন । কাহিনীটি এরকম—

        অল্পকথায় একবার প্রবল খরার প্রভাবে এই স্থানে বাসকারী অন্যান্য ঋষিগণ অন্যত্র চলে গেলে গৌতম মুনি বৃষ্টির প্রার্থনা করে কঠোর তপশ্চর্যা করতে লাগলেন । তখন বৃষ্টির দেবতা বরুণদেব গৌতম মুনির সম্মুখে আবির্ভূত হলে মুনি তাঁকে বৃষ্টি প্রদান করতে অনুরোধ করলেন । বরুণদেব উত্তরে বললেন গৌতম মুনি যদি ভগবান শিবকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলেই একমাত্র আপনার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতে পারে । পরে বরুণদেব গৌতম মুনিকে গভীরভাবে মাটি খনন করতে বললেন । গৌতম মুনি তা করলে পর , বরুণদেব তা জলে পূর্ণ করে দিলেন । বরুণদেব গৌতম মুনিকে এই বলে আশীর্বাদ করলেন যে এই পুষ্করিণী কখনই শুকিয়ে যাবে না । এরপর যে সকল ঋষিরা খরার জন্য এই স্থান ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন তারা আবার ফিরে এলেন ।

        একদিন গৌতম মুনি তাঁর কয়েকজন শিষ্যকে সেই পুষ্করিণীতে জল আনতে পাঠালে অন্যান্য ঋষিদের পত্নীগণ তাদের সেখান থেকে জল নিতে বাধা দিয়ে ভৎসনা করলেন । শিষ্যগণ সেই কথা গৌতম মুনিকে জানালে , গৌতম মুনির পত্নী অহল্যা ক্ষুব্ধ শিষ্যদের শান্ত করে পুষ্করিণীতে জল আনতে গেলেন এবং সেই থেকে তিনিই নিয়মিত জল আনতেন । একদিন অহল্যার সঙ্গে সেই ঋষি পত্নীদের পুষ্করিণীতে সাক্ষাৎ হলে তারা অহল্যাকেও জল নিতে বাধা দিতে চেষ্টা করলেন । কিন্তু অহল্যা তবুও জল আনলেন । নিজ নিজ কুটিরে ফিরে গিয়ে সেইসব ঋষিপত্নীরা ঋষিদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিলে তারাও অহল্যার জল নেওয়ার জন্য ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন । সেইসব ঋষিগণ গনেশের আরাধনা করে তাঁকে সন্তুষ্ট করলে পর গনেশ তাদের সম্মুখে আবির্ভূত হলেন । তখন ঋষিগণ গৌতম মুনিকে সেই স্থান থেকে তাড়িয়ে দেবার জন্য গনেশকে অনুরোধ করতে লাগলেন । প্রথমে গনেশ রাজী হচ্ছিলেন না । কিন্তু ঋষিগণ বারবার অনুরোধ করতে থাকায় তিনি অবশেষে সম্মত হলেন ।

        এরপর একদিন এক গাভীর ছদ্মবেশে গনেশ গৌতম মুনির যব ক্ষেতে ঢুকে সেখানে চারণ করতে লাগলেন । গৌতম মুনি গাভীটিকে তাড়ানোর জন্য একগুচ্ছ ঘাস দিয়ে গাভীর পশ্চাৎদেশে আঘাত করতেই নকল গাভীটির তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হল । এই ঘটনার জন্য গৌতম মুনি অত্যন্ত দুঃখিত হলেন । কিন্তু আশ পাশ থেকে অন্যান্য ঋষির দল এসে গৌতম মুনিকে সেই স্থান পরিত্যাগ করার জন্য জোর দিতে লাগলেন । গৌতম মুনি অবশেষে তাই করলেন এবং কিছু দূরে গিয়ে তাঁর নতুন আশ্রম নির্মাণ করলেন ।

        একদিন অনুতপ্ত গৌতম মুনি ঋষিগণের কাছে এসে তাঁর গো হত্যার প্রায়শ্চিত্য কি হতে পারে জানতে চাইলেন । ঋষিগণ বললেন , তাকে তিনবার সারা পৃথিবী পদব্রজে ভ্রমণ করতে হবে সারাক্ষণ এই বলতে বলতে যে ‘ আমি একটি গাভী হত্যা করেছি । এরপরেও তাকে একমাস তপশ্চর্যা করতে হবে । বিকল্প গৌতম মুনি স্বয়ং গঙ্গাকে প্রকাশিত হতে সাহায্য করে তাঁর জলে স্নান করতে পারেন অথবা তিনি তিন কোটি শিব লিঙ্গের পূজা করতে পারেন । গৌতম মুনি শেষ পন্থাটি বেছে নিয়ে শিব লিঙ্গ সমূহ নির্মাণ করে তাঁদের আরাধনা করতে লাগলেন । তাঁর আরাধনায় সন্তুষ্ট হয়ে ভগবান শিব আবির্ভূত হলে , গৌতম মুনি গো হত্যার পাপ থেকে তাঁকে মুক্ত করতে বললেন । তিনি ভগবান শিবকে সেখানে গঙ্গা নদীকে প্রকাশ করার জন্যও অনুরোধ করলেন । শিব গৌতম মুনিকে বোঝাতে চেষ্টা করলেন যে প্রকৃতপক্ষে তিনি হচ্ছেন নির্দোষ , প্রকৃত দোষী হচ্ছেন সেই দুষ্ট ঋষিবর্গ । কিন্তু গৌতম মুনি নাছোড়বান্দা । শেষ পর্যন্ত শিব গঙ্গাকে নির্দেশ দিলেন একজন নারীর রূপ ধরে সেখানে আবির্ভূত হতে । গৌতম মুনি গঙ্গার স্তুতি করলে শিব তাঁর আশীর্বাদ দ্বারা তাকে গো হত্যার পাপ হতে মুক্ত করলেন । এরপর গঙ্গা চলে যেতে চাইলে , ভগবান শিব তাঁকে পৃথিবীতে অবস্থান করতে বললেন । যদি ভগবান শিব ও দেবী পার্বতীও পৃথিবীতে অবস্থান করতে রাজী থাকেন তাহলেই কেবল গঙ্গা পৃথিবীতে অবস্থান করতে রাজী হলেন । তখন ভগবান শিব নিজেকে স্বয়ং ত্রিম্বকেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ রূপে প্রতিষ্ঠিত করলেন আর গঙ্গাও সেখানে বিখ্যাত গৌতমী গঙ্গা রূপে রয়ে গেলেন ।

        এই জ্যোতির্লিঙ্গের অসাধারণত্ব এই যে ওনার ব্রহ্মা , বিষ্ণু ও শিবরূপ তিনটি মুখ ।

        ত্রিম্বকেশ্বর দর্শন করার পর আমরা প্রায় এক কিলোমিটার হেঁটে কুশাবর্তে এলাম । সেখানে একটু আগে বর্ণিত কাহিনীর বরুণদেব দ্বারা পুষ্ট ও গৌতম মুনি নির্মিত পুষ্করিণীটি দর্শন করলাম । পুষ্করিণীটির নাম কুশাবর্ত এই কারণেই যে সেই সময়ে এর চতুর্দিকে ছিল কুশ ঘাসের জঙ্গল । এখন সেখানে একটি বড় স্তম্ভের হল ঘর এবং স্থানটি ঘিরে নানা মন্দির । পুষ্করিণীটি গোদাবরী নদীর উৎস , ব্রহ্মগিরি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত । এই ব্রহ্মগিরিতে গঙ্গা দেবীর একটি মন্দির রয়েছে এবং একটি গুহা রয়েছে যেখানে গৌতম মুনি তপশ্চর্যা করেছিলেন । নিকটেই রয়েছে রাম - লক্ষণ পুষ্করিণী । কথিত আছে পিতা দশরথ লোকান্তরিত হলে শ্রীরামচন্দ্র ও লক্ষণ এখানে অবস্থান করে শাস্ত্রীয় ক্রিয়া সকল সম্পাদন করেছিলেন ।

        পরের দিন নাসিকে আমরা পবিত্র রামকুণ্ডে স্লান করলাম । বলা হয় যে শ্রীরামচন্দ্র এখানে পিতৃ - তর্পণ ও পিণ্ডাদি প্রদান করেছিলেন । আজও পুণ্যার্থীরা এখানে পিতৃ - পুরুষের উদ্দেশ্যে পিণ্ড দান করে থাকেন । রামকুণ্ডের পেছনে গোদাবরী মন্দির । এটি প্রতি বারো বৎসর অস্তর নাসিক কুম্ভ মেলার সময় খোলা হয় । স্নানের পর আমরা তপোবন দর্শনে গেলাম । এটি রামকুগু থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে গোদাবরী ও কপিলা নদীর তীরে অবস্থিত । এই দুই নদীর সংযোগস্থলেই কপিলদেব তপশ্চর্যা করেছিলেন । এখানে একটি বিরাট বটগাছের নীচে ছোট্ট মন্দিরে ভগবান লক্ষণের একটি বিগ্রহ পূজিত হয় । এরপরই একটি ছোট ঘরে সূর্পনখার নাক কর্তনরত লক্ষণের একটি ভাস্কর্য রয়েছে । স্থানীয় মানুষেরা বিশ্বাস করে যে এই স্থানেই সেই সূর্পনখার নাক কাটা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল , যার থেকে এই নাসিক নামের উৎপত্তি ।

        নাসিকের মন্দিরগুলির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মন্দির কয়টি হচ্ছে সুন্দর নারায়ণ মন্দির , কপালেশ্বর মন্দির , নরশঙ্কর মন্দির এবং কালারাম মন্দির এই মন্দির কয়টি অষ্টাদশ শতকে কালো পাথরে নির্মিত হয়েছিল । সব ক'টি মন্দির গোদাবরীর তীরে পঞ্চবটী ক্ষেত্রে অবস্থিত । আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে আজও বঞ্চবটীতে পাঁচটি প্রাচীন বট গাছ অবস্থান করছে । এই গাছগুলির পরেই একটি কাঠের তৈরী বাড়ি যার ভেতরে একটি ছোট গুহা রয়েছে । এই গুহাটিকে সীতা গুফা বলা হয় । সেখানে শ্রীরাম , লক্ষণ ও সীতাদেবীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে । স্থানীয় মানুষেরা বলেন যে যখন কোন এক সেনাবাহিনী শ্রীরামকে আক্রমণ করেছিল সেইসময় সীতাদেবী এই গুহার ভিতরে আশ্রয় নিয়েছিলেন । রাবণ সীতাকে এই পঞ্চবটীতেই অপহরণ করেছিল তাই সেই ঘটনাটি এবং সেই সঙ্গে হরিণরূপী মারীচকে ভগবান রামের হত্যার দৃশ্যটি ছবির মাধ্যমে সীতা গুফার পাশের একটি ঘরে প্রদর্শিত হয়েছে ।

        কয়েকদিন ধরে পবিত্র তীর্থ নাসিক দর্শন করে যোগেশ ও আমি অত্যন্ত উৎসাহ বোধ করছিলাম । কিন্তু যেটা দেখে আমার ভালো লাগল না তা হল তীর্থযাত্রীরা এখানে ভগবান রামচন্দ্রের লীলাসমূহ ও তাঁর শিক্ষা বিষয়ে জানবার চাইতে জাগতিক ব্যক্তিগত বাসনা পূরণের লক্ষেই শাস্ত্রীয় আচারসমূহ পালন করতে বেশী আগ্রহী । এখানকার স্থানীয় কয়েকজন সন্ন্যাসী এই স্থানের প্রকৃত পারমার্থিক তাৎপর্য বিষয়ে উত্তর দিতে অসমর্থতা প্রকাশ করেন । এমনকি মাসিকের মতো পবিত্র স্থানেও এই কলি যুগের প্রভাবে পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে আমাদের প্রকৃত সম্পর্কের পারমার্থিক জ্ঞানটি সম্ভবত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । সৌভাগ্যক্রমে আমরা শ্রীল প্রভুপাদ ও তাঁর বিশ্বস্ত অনুগামীদের কাছ থেকে গুরু - শিষ্য পরম্পরাক্রমে প্রাপ্ত সেই পারমার্থিক নির্দেশিকা প্রাপ্ত হয়েছি ।

        কিভাবে যেতে হবে
    নাসিক যেতে হলে কাছাকাছি প্রধান বিমান বন্দর ও রেল স্টেশন হচ্ছে মুম্বাই । প্রতিদিন বারো বার মুম্বাই নাসিক ট্রেন যাতায়াত করে । ট্রেনে পাঁচ ঘন্টার রাস্তা । মুম্বাই প্রধান স্টেশন ও ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাল থেকে ট্রেন ছাড়ে । দিল্লী - মুম্বাই যাতায়াতকারী কোন কোন ট্রেনও নাসিকে থামে । দাদার থেকে নিয়মিত নাসিক যাওয়ার প্রাইভেট ও সরকারী বাস পাওয়া যায় । জাতীয় সড়ক ৩ ধরে ইষ্টার্ন এক্সপ্রেস হাইওয়ে বরাবর চার ঘন্টার রাস্তা ।

        থাকার জায়গা বিভিন্ন দামের পরিধির মধ্যে নাসিকে প্রচুর হোটেল রয়েছে । কয়েকটি ভালো নিরামীধ রেস্তোরা হল — উডল্যাণ্ড রেষ্টুরেন্ট , সেন্টার পয়েন্ট রেষ্টুরেন্ট , হোটেল হলিডে প্লাজা রেষ্টুরেন্ট ।

  • পরবর্তী তীর্থস্থান ১৪ ) দ্বারকা
  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.