সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।
আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
ভূমিকা ,
১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি =>
কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,
শরীরের পরিসীমার ওপরে ,
পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,
জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,
শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,
ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,
দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,
তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,
প্রথম অধ্যায়
ভগবান এবং কর্মনীতি
প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থ হল বেদ । ১০৮ টি উপনিষদেই এর দার্শনিক সারমর্মকে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সকল উপনিষদের মধ্যে শ্রীঈশোপনিষদই হল । সর্বোত্তম । নিম্নলিখিত নিবন্ধটির মাধ্যমে , ১৯৬৮ সালে শ্রীঈশোপনিষদ বিষয়ে প্রদত্ত শ্রীল প্রভুপাদের প্রবচনের ভিত্তিতে আমরা পরমেশ্বর ভগবান সম্বন্ধে প্রকৃত তত্ত্ব , তাঁর জাগতিক ও পারমার্থিক শক্তিরাজির নিয়ন্ত্রণকারী বিধিগুলো এবং কিভাবে কর্মের বন্ধন থেকে মুক্তিলাভ করা যায় , সে বিষয়ে শিক্ষালাভ করতে পারব ।
ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে যে , পরম পুরুষোত্তম ভগবান হলেন “ পূর্ণাৎ পূর্ণম " । এই জড় জগতের জন্য তিনি অনেক কিছুর আয়োজন করে রেখেছেন । তারই অংশ হল সৃষ্টি , স্থিতি ও প্রলয় প্রক্রিয়া । সেইসাথে প্রতিটি জীবের পরিবর্তনের জন্য রয়েছে ছ'টি সুনির্দিষ্ট ধারা । সেগুলি হল – জন্ম , বিকাশ , স্থিতি , উৎপাদন , ক্ষয় এবং বিনাশ । উপরিউক্ত ছয়'টি ধারার মধ্য দিয়েই জীব জন্ম থেকে বিনাশের দিকে এগিয়ে চলে । আর এটিই জড়া প্রকৃতির নিয়ম । যেমন একটি ফুল কুঁড়ি রূপেই জন্মায় । তারপর সেটি বিকশিত হয় , দুই - তিন দিন সতেজ থাকে , বীজ উৎপাদন করে , ক্রমে সেটি শুকিয়ে আসে ও একসময় ঝরে পড়ে । জড় জাগতিক বিজ্ঞান দিয়েও কেউ একে রোধ করতে পারে না । আর এরূপ রোধের চেষ্টা যদি কেউ করে , তবে তা হবে নিতান্তই অজ্ঞতার প্রকাশ ।
কখনও কখনও অনেকে বোকার মতন মনে করে যে , বৈজ্ঞানিক উন্নতি বিকাশের মাধ্যমে মানুষ বুঝি অমর হয়ে যাবে । এই রকম ভাবনা শুধু বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় । কারণ জড়া প্রকৃতির বিধানকে কেউ - ই আটকাতে পারে না । তাই ভগবদ্গীতায় ( ৭/১৪ ) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে , জড় - জাগতিক শক্তি দুরত্যয়া , অর্থাৎ কোনরকম জড় জাগতিক পদ্ধতির মাধ্যমে একে কখনই জয় করা যায় না ।
জড়া প্রকৃতির তিনটি গুণ রয়েছে । অর্থাৎ এটি তিন রকম গুণের সমন্বয়ে গঠিত । এইগুলি হল : সবগুণ , রজোগুণ এবং তমোগুণ । যার অর্থ হল যথাক্রমে শুদ্ধ সাত্ত্বিক ভাব , উগ্র রাজসিক ভাব এবং নিম্নমুখী অজ্ঞ তামসিক ভাব । এই গুণ শব্দের আরেকটি অর্থ হল ' দড়ি ' । সুতোর তিনটি পাকের মাধ্যমে দড়ি তৈরি হয় । সেক্ষেত্রে সুতোকে প্রথমে ছোট ছোট তিনটি কাঠিমে জড়ানো হয় । তারপর সেগুলোকে একসাথে পাকানো হয় । এই প্রক্রিয়ায় তৈরি দড়িটি খুবই মজবুত হয় । সেরকমই জড়া প্রকৃতির তিনটি গুণ সত্ত্ব , তমো ও রজো একসাথে মিশে যায় । পরে সেগুলো থেকেই অন্যান্য গুণের উদ্ভব হয় । আবার সেই গুণগুলিও বারংবার পরস্পরের সাথে মিশে নতুন গুণ তৈরি করে । আর এইভাবে অসংখ্যবার তাদের পরস্পরের মধ্যে সংমিশ্রণ চলতে থাকে ।
আর এইভাবেই জাগতিক শক্তি আপনাকে ক্রমাগত জড়িয়ে ফেলতে থাকে । নিজের চেষ্টায় আপনি এই বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারবেন না । একে প - বর্গ বলা হয় । সংস্কৃত বর্ণমালার পঞ্চম সারির বর্ণ হল প - বর্গ । এতে রয়েছে প , ফ , ব , ড . ম । ' প ' দ্বারা বোঝানো হয় ‘ পরিশ্রম ' , অর্থাৎ অত্যধিক কষ্টসাধন । প্রতিটি জীবই এই জগতে বেঁচে থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে চলছে । যাকে বলা হয় অস্তিত্বের জন্য কঠোর জীবন সংগ্রাম । ' ফ ' দ্বারা বোঝানো হয় ফেনা । ঘোড়া যখন অত্যধিক পরিশ্রম করে তখন তার মুখ দিয়ে ফেনা বেরোয় । সেরকমই , অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়লে আমাদের জিহ্বা শুকিয়ে যায় , মুখের মধ্যে লালা জমে । প্রত্যেকেই ইন্দ্রিয় সুখ ভোগ করার জন্য এইরকম অত্যধিক পরিশ্রম করছে । যার ফলে তাদের মুখে ফেনা উঠে আসে । ' ব ' দ্বারা বোঝানো হয় ' বন্ধন ' । আমাদের যাবতীয় প্রচেষ্টা সত্ত্বেও জড়া প্রকৃতির বন্ধনে আমরা বাঁধা পড়ে আছি । ' ভ ' দ্বারা বোঝানো হয় ' ভয় ' । এই জড় জগতে মানুষ সব সময়ই ভয়ের বস্ত আগুনের মধ্যে বাস করছে । কেউ - ই জানে না যে পরমুহূর্তে কি হতে চলেছে ? এবং " ম ' দ্বারা বোঝানো হয় ' মৃত্যু ' । আমাদের আশা , সুখ ও নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় পরিকল্পনা — সবই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে যায় ।
এজন্য , কৃষ্ণভাবনাময় জীবন - দর্শনে এই প - বর্গ পদ্ধতিকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয় । অন্যভাবে বলা যায় যে কৃষ্ণভাবনামৃতের মাধ্যমে মানুষ অপবর্গ অর্জন করে । যেখানে অস্তিত্বের জন্য কঠোর পরিশ্রমের ভাবনা থাকে না , এছাড়াও থাকে না কোনও রকম জাগতিক বন্ধন , ভয় বা মৃত্যুর আশঙ্কা । এই জড়জগৎকেই প - বর্গের মাধ্যমে বোঝানো হয় । কিন্তু প - বর্গের পূর্বে ' অ '
উপসর্গটি যোগ করলে প - বর্গকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয় । আর কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনই অপবর্গের একমাত্র পথ ।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হল , সাধারণ মানুষ এই বিষয়ে কিছুই জানে না । যার ফলে তারা তাদের জীবনকে নষ্ট করছে । এই আধুনিক সভ্যতা একটি আত্মহননকারী সভ্যতা , যেখানে মানুষ নিজেদেরকে হত্যা করছে । কারণ তারা জানে না যে যথার্থ জীবন ধারা কি হওয়া উচিত ? যেমন পশুরা জানে না যে যথার্থ জীবন কি ? তাই তারা প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ীই সাধারণভাবে জীবন যাপন করে চলে , ক্রমাগত বিবর্তনের মধ্য দিয়ে । মানুষও তেমনি পশুদের মতন সাধারণ জীবন যাপন করে চলছে । কিন্তু যখন আপনি মনুষ্য - দেহ পান তখন ভিন্ন ধারায় জীবন যাপনের দায়িত্ব আপনারও চলে আসে । আর তার ফলেই আপনি কৃষ্ণভাবনাময় হয়ে ওঠার সুযোগ পাবেন । যার মাধ্যমে সমস্ত রকম সমস্যা থেকে সমাধানের পথ খুঁজে পেয়ে আপনি মুক্তি পেতে পারেন । কিন্তু তা না করে যদি আপনি পশুর মতন জীবন যাপন করতে থাকেন , তবে পুনরায় জন্ম - মৃত্যুর আবর্তন চক্রে প্রবেশ করে আপনাকে চুরাশী লক্ষ জীব যোনির মধ্য দিয়ে চলতে হবে । ফলে আরও একবার মনুষ্য - জন্ম ফিরে পেতে আপনার বহু লক্ষ কোটি বছর কেটে যাবে । যেমন ধরুন , এই মুহূর্তে আপনারা যে সূর্যকিরণটি দেখতে পাচ্ছেন , সেটি আবার দেখতে হলে আপনাকে চব্বিশ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে । কারণ প্রকৃতির সবকিছুই একটি নির্দিষ্ট চক্রে আবর্তিত হয়ে চলেছে । কিন্তু আপনি যদি নিজেকে উন্নত করার এই সুযোগ নষ্ট করেন , তবে আবার আপনাকে জন্ম মৃত্যুর আবর্তন চক্রে প্রবেশ করতে হবে । প্রকৃতির বিধান খুব কঠোর । এই জন্যই আমরা এত সব কেন্দ্র স্থাপন করেছি , যাতে করে মানুষ কৃষ্ণভাবনামৃতের সুযোগ - সুবিধাগুলো গ্রহণ করে নিজেদের বিকাশ সাধন করতে পারে ।
আমরা জানি না , আমাদের মৃত্যুর আর কত দেরী । শরীরের মধ্যে আমাদের অবস্থানের সময় ফুরিয়ে এলে মৃত্যুকে কেউ আটকাতে পারবে না । এইজন্য এক্ষুনিই আমাদের কৃষ্ণভাবনামৃত আস্বাদনের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত । জড়া প্রকৃতির বিধি - নিয়ম এমনই কঠোর যে সেখানে আপনি বলতে পারবেন না “ আমাকে থাকতে দাও ” । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মানুষ এরকম অনুরোধই করে । আমি যখন এলাহাবাদ ছিলাম , তখন আমার এক পুরানো বন্ধু খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন । তিনি খুব ধনী ছিলেন । তিনি ডাক্তারকে খুব অনুনয় - বিনয় করে বলতেন , “ আমাকে আর চারটি বছর বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন না ? তাহলে আমি কতগুলি অসমাপ্ত কাজ শেষ করে ফেলতে পারতাম । " এটাই নির্বুদ্ধিতা । প্রত্যেকেই ভাবে “ আমাকে এটা করতে হবে , ওটা করতে হবে । ” কিন্তু তারা এটা বোঝে না যে , ডাক্তার বা বৈজ্ঞানিক –কেউই মৃত্যুকে আটকাতে পারে । না । চার বছর কেন , চার মিনিটও অতিরিক্ত বাঁচিয়ে রাখতে পারে না , আয়ু ফুরিয়ে এলে আপনাকে তক্ষুণি চলে যেতে হবে । এটাই নিয়ম । তাই সেই মুহূর্তটি । আসার আগেই , আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে । যত শীঘ্র সম্ভব কৃষ্ণভাবনামৃত আপাদন করার অভ্যাস গড়ে তুলুন । অর্থাৎ আপনার পরবর্তী মৃত্যুর দিনটি আসার আগেই আপনাকে আপনার কর্তব্য শেষ করতে হবে । এটাই প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ । নতুবা আপনাকে হার স্বীকার করতে হবে ।
ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে যে , পরম পূর্ণ সত্তা – পরমেশ্বর ভগবান — তাঁর থেকে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে , তা সবই স্বয়ংসম্পূর্ণ । তাই আপনি যদি আপনার এই দুর্লভ মানব জীবনের সদ্ব্যবহার করতে চান , তার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে । কিন্তু এজন্য আপনাকে এগিয়ে এসে অনুশীলন করতে হবে । মনে রাখবেন , কৃষ্ণভাবনামৃত কিন্তু নিছক তত্ত্বকথা নয় , এটি বাস্তবসম্মত । এর ওপর সমস্ত রকম পরীক্ষা - নিরীক্ষা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে । তাই ঈশোপনিষদে যেমন বলা আছে , সেরকমই প্রতিটি স্বয়ং সম্পূর্ণ ক্ষুদ্র সত্তা – যেমন আমরা প্রত্যেকেরই পরম পূর্ণ সত্তা শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ে সম্পূর্ণ উপলব্ধির পূর্ণ সুযোগ রয়েছে । যদিও আমরা সম্পূর্ণ সত্তা , কিন্তু আমরা অতি ক্ষুদ্র । একটি ছোট স্ক্রু যদি মেশিন থেকে আলগা হয়ে খুলে পড়ে , তবে তার আর কোনও গুরুত্ব থাকবে না । ঠিক সেরকমই , ততক্ষণই আমাদের গুরুত্ব যতক্ষণ আমরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখব । নইলে কিন্তু সবই ব্যর্থ ও মূল্যহীন ।
পরমপূর্ণ সত্তাটিকে বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে সেই পরমপূর্ণ সত্তার সাথে আমাদের সম্পর্কটি কি ? পরমপূর্ণ সত্তা সম্বন্ধে আমাদের জানা সম্পূর্ণ নয় । তাই তার সম্বন্ধে আমাদের অভিজ্ঞতাও অসম্পূর্ণ । আমরা মনে করি , " আমি ভগবানের সমান । আমিই ভগবান । ' এটাই কিন্তু অসম্পূর্ণ জ্ঞান । কিন্তু যদি আপনি মনে করেন , ' আমি ভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশমাত্র এবং সেইজন্য গুণগত দিক দিয়ে আমি ভগবানের সমকক্ষ ' — তবে সেটিই হবে সম্পূর্ণ জ্ঞান । জীবের পরিপূর্ণ চেতনা জাগরিত করবার সুযোগ হচ্ছে এই মানব - জন্ম । কৃষ্ণভাবনামৃতের আস্বাদনের মধ্য দিয়েই আপনি এই পূর্ণ চেতনার পুনরুদ্ধার করতে পারবেন । আর আপনি যদি এই পূর্ণ সুযোগের সদ্ব্যবহার না করেন , তবে জানবেন , আপনি নিজেকে নিজে শেষ করে ফেলছেন , আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন । যেমন ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে , আব্বাকে যে হত্যা করে , সে যেই হোক , তাকে মৃত্যুর পর অজ্ঞতা , অন্ধকার ও অবিশ্বাসের জগতে প্রবেশ করতেই হবে । " আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না নিজের আত্মার হননকারী হতে । এজন্য কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলনের মাধ্যমে আপনার মানব - জীবনের সদ্ব্যবহার করুন । এটাই হল আপনার একমাত্র কাজ ।
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "