সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।
আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
ভূমিকা ,
১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি =>
কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,
শরীরের পরিসীমার ওপরে ,
পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,
জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,
শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,
ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,
দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,
তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,
কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা
আমাদের বদ্ধ জীবনধারায় প্রতি পদক্ষেপেই আমরা না জেনে বিভিন্ন রকম পাপ কাজ করে চলেছি । আসলে জন্ম থেকেই আমরা অজ্ঞতার মধ্যে রয়েছি বলে এইরকম অজ্ঞাতভাবে পাপ কাজ করে ফেলছি । এখন প্রশ্ন হল , এত অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও এই অজ্ঞতা এত প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে কেন ? এর কারণ হল এত সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও সেগুলোতে আব্বতর , অর্থাৎ আত্মার বিজ্ঞান পড়ান হয় না । সেই জন্য সাধারণ মানুষ অজ্ঞতার অন্ধকারেই ডুবে থাকে । যার ফল স্বরূপ তারা পাপ করে সেই পাপের কর্মফল ভোগ করতে থাকে । শ্রীমদ্ভাগবতে ( ৫/৫/৫ ) এই কথাই বলা হয়েছে । পরাভবস্তাবদ্ অবোধজাতো যাবন্ন জিজ্ঞাসত আত্মতবম্ । অর্থাৎ যতক্ষণ না পর্যন্ত কেউ আত্মতত্ত্ব উপলব্ধি করতে না পারছে , ততক্ষণ জীবের নির্বুদ্ধিতার দশা চলতেই থাকে ৷ শিক্ষা দানকারী এই সব শিক্ষা - প্রতিষ্ঠানগুলোও অজ্ঞতার প্রসার ঘটাচ্ছে । যতক্ষণ অবধি না একজনের মনে চিন্তা আসে , ' আমি কে ? ভগবান কি ? এই জগৎটা কি ? পরমেশ্বর ভগবান ও এই জগতের সাথে আমার সম্পর্ক কি ? ' — এই সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর যতক্ষণ না খুঁজে পাচ্ছে , ততক্ষণ প্রত্যেকেই পশুর মতন নির্বোধ থাকে এবং বিভিন্ন জীবনের মধ্য দিয়ে নানা প্রজন্মে দেহান্তরিত হয়ে চলে । এটাই হল অজ্ঞতার ফল ।
তাই আধুনিক সভ্যতা খুবই বিপজ্জনক । হয়ত সফল ব্যবসায়ী বা রাজনীতিক হয়ে এযুগে একজন নিজেকে সুখী মনে করতে পারেন , অথবা আমেরিকার মতন ধনীদেশে জন্ম পেয়ে কেউ অধিক স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করতে পারেন , কিন্তু এসবই অস্থায়ী । তাদের এই সব আপাত সুখী জীবনের একসময় পরিবর্তন হয়ে যাবে , তাছাড়া আমরা কেউ - ই জানি না , এই জীবনে পাপপূর্ণ
আচরণের জন্য পরজন্মে আমাদের কিরকম দুঃখ ভোগ করতে হবে । এজন্য কেউ যদি পারমার্থিক অনুশীলন শুরু না করে তবে অবশ্যম্ভাবীভাবে তার জীবনে বিপর্যয় নেমে আসবে । যেমন মনে করুন , শক্তি সমর্থ ও স্বাস্থ্যবান একজন ব্যক্তি কোনও একটি দূষিত পরিবেশে বাস করছে । তবে কি সে সুস্থভাবে জীবন কাটাতে পারবে ? যেকোনও মুহূর্তে সে রোগাক্রান্ত হতে পারে । এইজন্য পারমার্থিক তত্ত্বজ্ঞান অনুশীলনের মধ্য দিয়েই আমাদের নিজেদের জীবনের অজ্ঞতা দূর করা উচিত ।
অজ্ঞানতাবশত কিভাবে আমরা পাপ কাজ করি , তার একটি সুন্দর উদাহরণ হল খাদ্যগ্রহণ । ভগবদ্গীতায় ( ৩/১৩ ) শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে , তার ভক্তরা সমস্ত রকম পাপকর্ম থেকে মুক্ত হন , কারণ তারা ভগবানের উদ্দেশ্যে নিবেদিত খাদ্যসামগ্রী প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন । সেই সাথে তিনি এ বলেছেন যে , যারা নিজেদের ইন্দ্রিয় তৃপ্তির জন্য রান্না করে , তারা শুধু পাপই ভোজন করে । প্রকৃতপক্ষে মন্দিরের পরিবেশ আর সাধারণ গৃহস্থ পরিবারে রান্নাবান্না ও খাওয়া দাওয়া আপাতদৃষ্টিতে একই রকম মনে হলেও তাদের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে । মন্দিরের পরিবেশে রন্ধন ও আহার্য প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা পাপমুক্ত হই । কিন্তু অভক্ত কারও রান্নাবান্না ও খাদ্যগ্রহণ তাকে আরও বেশী পাপময় কর্মফলে আবদ্ধ করে । প্রকৃতপক্ষে মন্দিরের পরিবেশে সকল প্রকার রন্ধন ও আহার্য দ্রব্য শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করে প্রসাদ রূপে গ্রহণ করা হয় বলে সেখানে কোনও রকম পাপ প্রবেশ করতে পারে না ।
কৃষ্ণভাবনাময় সংশ্লিষ্ট কাজকর্মের বাইরে আপনি যা কিছুই করুন না কেন তা জড়া প্রকৃতির দোষে আপনাদের আবদ্ধ করে । এইভাবে বিভিন্ন কাজকর্ম না জেনে করার ফলে আপনি পাপকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছেন । কিন্তু একটু সচেতনভাবে চললেই আমরা এই পাপকর্ম থেকে নিজেদের সরিয়ে পুণ্য কাজ করতে পারি । কিন্তু অনেকে পুণ্য কাজ করতে গিয়ে জটিলতার আবর্তে জড়িয়ে পড়েন । যদি কোনও ব্যক্তি পুণ্যবান হন , তিনি পর জন্মে কোনও ধনী বা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নিতে পারেন বা হয়ত উচ্চশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন । এগুলো সবই পুণ্য কর্মের ফল । কিন্তু আপনি গুণ্যবান বা পাপী যাই হোন না কেন , আপনাকে কোনও একজন মায়ের গর্ভে প্রবেশ করতেই হবে । আর সেটিই হবে ভয়ানক দুর্দশা । সেখানে আপনি ধনী বা সম্ভ্রান্ত যে পরিবারেই জন্মান না কেন , অথবা কোনও পশুর গর্ভে জন্ম নিন , আপনাকে
জন্ম , মৃত্যু , জরা , ও ব্যাধির আবর্তন চক্রের মধ্য দিয়ে কষ্ট ভোগ করতেই হবে । এটাই আমরা বারবার ভুলে যাই ।
কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্যই হল আপনাকে জন্ম , মৃত্যু , জরা , ও ব্যাধির হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার সুযোগ দেওয়া । কিন্তু আপনি যদি পাপকর্ম করতেই থাকেন আর সেই সাথে পাপপূর্ণ আহার গ্রহণ করেন , তবে উপরিউক্ত চারটি দুর্দশা চলতেই থাকবে । আর পাপকর্মের প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তি পাবেন শুধুমাত্র শ্রীকৃষ্ণের কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে । যেরকম শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবদ্গীতায় ( ১৮/৬৬ ) বলে গেছেন- - “ সর্বপ্রকার ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল আমার শরণাগত হও । আমি তোমাকে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত করব । ” শ্রীকৃষ্ণের চরণে আত্মসমর্পণের একটি পন্থা হল , এমন কিছু খাদ্য হিসেবে গ্রহণ না করা যেটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করা হয়নি । এই বিষয়ে আমাদের বিশেষ যত্নবান হতে হবে । মনে রাখবেন , যদিও আমরা কোনও পাপকর্ম করে । থাকি , তবু ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ভক্তিভরে আহার্য নিবেদনের পর সেই প্রসাদ আহার রূপে গ্রহণ করলে , পাপকর্মের বিষময় ফলভোগের থেকে অব্যাহতি পেতে পারি । আর এইভাবে যদি আমরা শ্রীকৃষ্ণের চরণে আত্মসমর্পণ করি তবে তিনি আমাদের সকল প্রকার পাপকর্মের প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করবেন । এটি স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতিশ্রুতি ।
এইভাবে আত্মসমর্পণ করলে ভগবদ্ভক্ত মৃত্যুর পর কোথায় যান ? শূন্যবাদী দার্শনিকরা যেমন বলেন , তেমন করেই কি একজন ভক্তের জীবন শেষ হয় ? না । স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন , মাম্ অতি – “ সে আমার কাছে আসে । " আর সেখানে গিয়ে কী লাভ হয় ? তার উত্তর শ্রীকৃষ্ণ দিয়েছেন , মামুপেতা পুনর্জন্ম দুঃখালয়মশাশ্বতম্ নাঘুবস্তি — অর্থাৎ “ আমার কাছে যে ফিরে আসে তাকে আর এই দুঃখময় নম্বর সংসারে জন্ম নিতে হয় না । " সেটিই সর্বোচ্চ প্রাপ্তি ।
ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে , " আত্মাকে যিনি হত্যা করেন , তিনি যেই হোন না কেন , মৃত্যুর পর তাকে অবশ্যই অবিশ্বাস , অন্ধকার ও অজ্ঞতার জগতে প্রবেশ করতে হবে । ” ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দৈত্যদের কাছে সিংহের মতন আর ভক্তবৃন্দের কাছে মেষশাবকের মতন । কিন্তু নাস্তিকদের বক্তব্য , “ আমরা শ্রীকৃষ্ণকে দেখিনি । ” তারাও শ্রীকৃষ্ণকে দেখতে পাবে । অন্তিম মুহূর্তে মৃত্যুময় সিংহ রূপে তিনি তাদের গ্রাস করবেন । নাস্তিকদের কাছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মৃত্যুরূপেই দেখা দেবেন । আর যারা ভগবানের ভক্ত তারা প্রেমিকরূপে অর্থাৎ মেষশাবকের মতো শান্ত রূপেই শ্রীকৃষ্ণের সাক্ষাৎ পাবেন ।
প্রকৃতপক্ষে , প্রত্যেকেই হয় ভক্ত হয়ে অথবা বাধা হয়েই শ্রীকৃষ্ণের সেবায় যুক্ত । যিনি জড় জাগতিক জীবন - যারায় আবদ্ধ তিনিও শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিয়োজিত । কারণ তাকে শ্রীকৃষ্ণের বহিরঙ্গা জড়া প্রকৃতির সাহায্যে কাজ করতে হচ্ছে । এটা অনেকটা কোনও দেশের নাগরিকদের জীবনধারার মতন – সেখানে মানুষ সৎ নাগরিক বা দুষ্কৃতী যাই হোক না কেন , তাকে রাষ্ট্র ব্যবস্থার অধীনতা মেনেই চলতে হয় । বিদ্রোহীরা বলতে পারে তারা রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা মানে না , কিন্তু তখনই পুলিশ তাদের কারারুদ্ধ করে শাসন ব্যবস্থা মেনে চলতে বাধ্য করে ।
সুতরাং , শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর দর্শন অর্থাৎ প্রত্যেক জীবই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস , এটি কেউ মানতে না চাইলেও তাকে দাস হয়েই থাকতে হবে । পার্থক্য এই যে , নাস্তিক বাধ্য হয়েই শ্রীকৃষ্ণকে তার প্রভুরূপে গ্রহণ করেন , আর ভক্তরা স্বেচ্ছায় আনন্দের সাথে ভগবানের সেবায় নিয়োজিত হন । কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলন মানুষকে শেখায় যে , প্রত্যেকেই আমরা ভগবানের নিত্য দাস । তাই আমাদের উচিত স্বেচ্ছায় , সানন্দে ভগবানের সেবায় আত্মনিবেদন করা । “ নিজেকে ভগবান মনে করে মিথ্যা অহংকার কখনও করো না । ভগবানকে স্বীকার না করলেও তোমাকে তা করতেই হবে । দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুও শ্রীভগবানকে গ্রাহ্য করতেন না । তাই স্বয়ং ভগবান এসে তাকে বধ করেন । সেরকমই নাস্তিকদের কাছে ভগবান মৃত্যু রূপে দেখা দেন , কিন্তু আস্তিক অর্থাৎ যারা ভগবানকে বিশ্বাস করেন তাদের কাছে তিনি প্রেমিকরূপে আসেন । এটিই হল পার্থক্য ।
এটিই হল মূল দর্শন । আর আপনি যদি ভগবানের পরম ভক্ত হয়ে পারমার্থিক জীবন ধারায় এই দর্শন উপলব্ধি করতে পারেন , তা হলেই আপনার জীবন সার্থক । সেখানে আপনি এক মুহূর্ত বাঁচুন বা একশ বছর বাঁচুন – সেটা কোনও ব্যাপারই নয় । অন্যথায় বেঁচে থাকার কাই বা দরকার ? কিছু গাছ যেমন পাঁচশ বা পাঁচ হাজার বছর অবধি বেঁচে থাকে । কিন্তু এইরকম উন্নত চেতনাবিহীন জীবন ধারণ শুধুই অর্থহীন ।
আপনি যদি এটা জানেন যে , আপনি হচ্ছেন ভগবানের সেবক , আর সকল বস্তুই ভগবানের । তাহলে আপনি একশ বছর জীবিত থেকে আপনার কর্তব্যকর্ম করলেও কিন্তু আপনাকে তার কোন প্রতিক্রিয়া ভোগ করতে হবে না । ভগবদ্গীতায় ( ৩/৯ ) দৃঢ়ভাবে তা প্রতিপন্ন করে বলা হয়েছে – যজ্ঞার্থাৎ কর্মগোহন্যত্র লোকোহয়ং কর্মবন্ধনঃ " কৃষ্ণের প্রীতির জন্যই কেবল কর্ম করা
উচিত । অন্যথায় ভাল অথবা মন্দ যে কোন কর্মই আপনাকে এ জগতের বন্ধনে আবদ্ধ করবে । ” আপনি যদি ভাল কর্ম করেন তাহলে পরবর্তী জীবনে তথাকথিত সুখভোগ করতে পারবেন । কিন্তু তবুও জন্ম - মৃত্যুর চক্রেই আপনাকে আবদ্ধ থাকতে হবে । আর মন্দ কর্মের ফলে আপনাকে কষ্টভোগ করতে হবে এবং আপনি এজগতেই আবদ্ধ থাকবেন । কিন্তু আপনি যদি কৃষ্ণের প্রীতির জন্য কর্ম করেন তা ভাল অথবা মন্দ যাই হোক না কেন সেখানে এরকম কোন প্রতিক্রিয়া নেই এবং মৃত্যুর সময় আপনি শ্রীকৃষ্ণের কাছে ফিরে যাবেন । কর্মবন্ধন ছিন্ন করার এটিই একমাত্র পন্থা ।
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "