সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।

আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।

  • প্রকৃতির নিয়ম

    কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল

    কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
  • ভূমিকা ,    ১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি => কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,   ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,    ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,   ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,    ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,   ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,    ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,   শরীরের পরিসীমার ওপরে ,    পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,   জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,    শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,   ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,   দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,   তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,  
  • কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা


          আমাদের বদ্ধ জীবনধারায় প্রতি পদক্ষেপেই আমরা না জেনে বিভিন্ন রকম পাপ কাজ করে চলেছি । আসলে জন্ম থেকেই আমরা অজ্ঞতার মধ্যে রয়েছি বলে এইরকম অজ্ঞাতভাবে পাপ কাজ করে ফেলছি । এখন প্রশ্ন হল , এত অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও এই অজ্ঞতা এত প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে কেন ? এর কারণ হল এত সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও সেগুলোতে আব্বতর , অর্থাৎ আত্মার বিজ্ঞান পড়ান হয় না । সেই জন্য সাধারণ মানুষ অজ্ঞতার অন্ধকারেই ডুবে থাকে । যার ফল স্বরূপ তারা পাপ করে সেই পাপের কর্মফল ভোগ করতে থাকে । শ্রীমদ্ভাগবতে ( ৫/৫/৫ ) এই কথাই বলা হয়েছে । পরাভবস্তাবদ্ অবোধজাতো যাবন্ন জিজ্ঞাসত আত্মতবম্ । অর্থাৎ যতক্ষণ না পর্যন্ত কেউ আত্মতত্ত্ব উপলব্ধি করতে না পারছে , ততক্ষণ জীবের নির্বুদ্ধিতার দশা চলতেই থাকে ৷ শিক্ষা দানকারী এই সব শিক্ষা - প্রতিষ্ঠানগুলোও অজ্ঞতার প্রসার ঘটাচ্ছে । যতক্ষণ অবধি না একজনের মনে চিন্তা আসে , ' আমি কে ? ভগবান কি ? এই জগৎটা কি ? পরমেশ্বর ভগবান ও এই জগতের সাথে আমার সম্পর্ক কি ? ' — এই সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর যতক্ষণ না খুঁজে পাচ্ছে , ততক্ষণ প্রত্যেকেই পশুর মতন নির্বোধ থাকে এবং বিভিন্ন জীবনের মধ্য দিয়ে নানা প্রজন্মে দেহান্তরিত হয়ে চলে । এটাই হল অজ্ঞতার ফল ।

          তাই আধুনিক সভ্যতা খুবই বিপজ্জনক । হয়ত সফল ব্যবসায়ী বা রাজনীতিক হয়ে এযুগে একজন নিজেকে সুখী মনে করতে পারেন , অথবা আমেরিকার মতন ধনীদেশে জন্ম পেয়ে কেউ অধিক স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করতে পারেন , কিন্তু এসবই অস্থায়ী । তাদের এই সব আপাত সুখী জীবনের একসময় পরিবর্তন হয়ে যাবে , তাছাড়া আমরা কেউ - ই জানি না , এই জীবনে পাপপূর্ণ আচরণের জন্য পরজন্মে আমাদের কিরকম দুঃখ ভোগ করতে হবে । এজন্য কেউ যদি পারমার্থিক অনুশীলন শুরু না করে তবে অবশ্যম্ভাবীভাবে তার জীবনে বিপর্যয় নেমে আসবে । যেমন মনে করুন , শক্তি সমর্থ ও স্বাস্থ্যবান একজন ব্যক্তি কোনও একটি দূষিত পরিবেশে বাস করছে । তবে কি সে সুস্থভাবে জীবন কাটাতে পারবে ? যেকোনও মুহূর্তে সে রোগাক্রান্ত হতে পারে । এইজন্য পারমার্থিক তত্ত্বজ্ঞান অনুশীলনের মধ্য দিয়েই আমাদের নিজেদের জীবনের অজ্ঞতা দূর করা উচিত ।

          অজ্ঞানতাবশত কিভাবে আমরা পাপ কাজ করি , তার একটি সুন্দর উদাহরণ হল খাদ্যগ্রহণ । ভগবদ্গীতায় ( ৩/১৩ ) শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে , তার ভক্তরা সমস্ত রকম পাপকর্ম থেকে মুক্ত হন , কারণ তারা ভগবানের উদ্দেশ্যে নিবেদিত খাদ্যসামগ্রী প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন । সেই সাথে তিনি এ বলেছেন যে , যারা নিজেদের ইন্দ্রিয় তৃপ্তির জন্য রান্না করে , তারা শুধু পাপই ভোজন করে । প্রকৃতপক্ষে মন্দিরের পরিবেশ আর সাধারণ গৃহস্থ পরিবারে রান্নাবান্না ও খাওয়া দাওয়া আপাতদৃষ্টিতে একই রকম মনে হলেও তাদের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে । মন্দিরের পরিবেশে রন্ধন ও আহার্য প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা পাপমুক্ত হই । কিন্তু অভক্ত কারও রান্নাবান্না ও খাদ্যগ্রহণ তাকে আরও বেশী পাপময় কর্মফলে আবদ্ধ করে । প্রকৃতপক্ষে মন্দিরের পরিবেশে সকল প্রকার রন্ধন ও আহার্য দ্রব্য শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করে প্রসাদ রূপে গ্রহণ করা হয় বলে সেখানে কোনও রকম পাপ প্রবেশ করতে পারে না ।

          কৃষ্ণভাবনাময় সংশ্লিষ্ট কাজকর্মের বাইরে আপনি যা কিছুই করুন না কেন তা জড়া প্রকৃতির দোষে আপনাদের আবদ্ধ করে । এইভাবে বিভিন্ন কাজকর্ম না জেনে করার ফলে আপনি পাপকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছেন । কিন্তু একটু সচেতনভাবে চললেই আমরা এই পাপকর্ম থেকে নিজেদের সরিয়ে পুণ্য কাজ করতে পারি । কিন্তু অনেকে পুণ্য কাজ করতে গিয়ে জটিলতার আবর্তে জড়িয়ে পড়েন । যদি কোনও ব্যক্তি পুণ্যবান হন , তিনি পর জন্মে কোনও ধনী বা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নিতে পারেন বা হয়ত উচ্চশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন । এগুলো সবই পুণ্য কর্মের ফল । কিন্তু আপনি গুণ্যবান বা পাপী যাই হোন না কেন , আপনাকে কোনও একজন মায়ের গর্ভে প্রবেশ করতেই হবে । আর সেটিই হবে ভয়ানক দুর্দশা । সেখানে আপনি ধনী বা সম্ভ্রান্ত যে পরিবারেই জন্মান না কেন , অথবা কোনও পশুর গর্ভে জন্ম নিন , আপনাকে জন্ম , মৃত্যু , জরা , ও ব্যাধির আবর্তন চক্রের মধ্য দিয়ে কষ্ট ভোগ করতেই হবে । এটাই আমরা বারবার ভুলে যাই ।

          কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্যই হল আপনাকে জন্ম , মৃত্যু , জরা , ও ব্যাধির হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার সুযোগ দেওয়া । কিন্তু আপনি যদি পাপকর্ম করতেই থাকেন আর সেই সাথে পাপপূর্ণ আহার গ্রহণ করেন , তবে উপরিউক্ত চারটি দুর্দশা চলতেই থাকবে । আর পাপকর্মের প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তি পাবেন শুধুমাত্র শ্রীকৃষ্ণের কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে । যেরকম শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবদ্গীতায় ( ১৮/৬৬ ) বলে গেছেন- - “ সর্বপ্রকার ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল আমার শরণাগত হও । আমি তোমাকে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত করব । ” শ্রীকৃষ্ণের চরণে আত্মসমর্পণের একটি পন্থা হল , এমন কিছু খাদ্য হিসেবে গ্রহণ না করা যেটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করা হয়নি । এই বিষয়ে আমাদের বিশেষ যত্নবান হতে হবে । মনে রাখবেন , যদিও আমরা কোনও পাপকর্ম করে । থাকি , তবু ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ভক্তিভরে আহার্য নিবেদনের পর সেই প্রসাদ আহার রূপে গ্রহণ করলে , পাপকর্মের বিষময় ফলভোগের থেকে অব্যাহতি পেতে পারি । আর এইভাবে যদি আমরা শ্রীকৃষ্ণের চরণে আত্মসমর্পণ করি তবে তিনি আমাদের সকল প্রকার পাপকর্মের প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করবেন । এটি স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতিশ্রুতি ।

          এইভাবে আত্মসমর্পণ করলে ভগবদ্ভক্ত মৃত্যুর পর কোথায় যান ? শূন্যবাদী দার্শনিকরা যেমন বলেন , তেমন করেই কি একজন ভক্তের জীবন শেষ হয় ? না । স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন , মাম্ অতি – “ সে আমার কাছে আসে । " আর সেখানে গিয়ে কী লাভ হয় ? তার উত্তর শ্রীকৃষ্ণ দিয়েছেন , মামুপেতা পুনর্জন্ম দুঃখালয়মশাশ্বতম্ নাঘুবস্তি — অর্থাৎ “ আমার কাছে যে ফিরে আসে তাকে আর এই দুঃখময় নম্বর সংসারে জন্ম নিতে হয় না । " সেটিই সর্বোচ্চ প্রাপ্তি ।

          ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে , " আত্মাকে যিনি হত্যা করেন , তিনি যেই হোন না কেন , মৃত্যুর পর তাকে অবশ্যই অবিশ্বাস , অন্ধকার ও অজ্ঞতার জগতে প্রবেশ করতে হবে । ” ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দৈত্যদের কাছে সিংহের মতন আর ভক্তবৃন্দের কাছে মেষশাবকের মতন । কিন্তু নাস্তিকদের বক্তব্য , “ আমরা শ্রীকৃষ্ণকে দেখিনি । ” তারাও শ্রীকৃষ্ণকে দেখতে পাবে । অন্তিম মুহূর্তে মৃত্যুময় সিংহ রূপে তিনি তাদের গ্রাস করবেন । নাস্তিকদের কাছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মৃত্যুরূপেই দেখা দেবেন । আর যারা ভগবানের ভক্ত তারা প্রেমিকরূপে অর্থাৎ মেষশাবকের মতো শান্ত রূপেই শ্রীকৃষ্ণের সাক্ষাৎ পাবেন ।

          প্রকৃতপক্ষে , প্রত্যেকেই হয় ভক্ত হয়ে অথবা বাধা হয়েই শ্রীকৃষ্ণের সেবায় যুক্ত । যিনি জড় জাগতিক জীবন - যারায় আবদ্ধ তিনিও শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিয়োজিত । কারণ তাকে শ্রীকৃষ্ণের বহিরঙ্গা জড়া প্রকৃতির সাহায্যে কাজ করতে হচ্ছে । এটা অনেকটা কোনও দেশের নাগরিকদের জীবনধারার মতন – সেখানে মানুষ সৎ নাগরিক বা দুষ্কৃতী যাই হোক না কেন , তাকে রাষ্ট্র ব্যবস্থার অধীনতা মেনেই চলতে হয় । বিদ্রোহীরা বলতে পারে তারা রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা মানে না , কিন্তু তখনই পুলিশ তাদের কারারুদ্ধ করে শাসন ব্যবস্থা মেনে চলতে বাধ্য করে ।

          সুতরাং , শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর দর্শন অর্থাৎ প্রত্যেক জীবই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস , এটি কেউ মানতে না চাইলেও তাকে দাস হয়েই থাকতে হবে । পার্থক্য এই যে , নাস্তিক বাধ্য হয়েই শ্রীকৃষ্ণকে তার প্রভুরূপে গ্রহণ করেন , আর ভক্তরা স্বেচ্ছায় আনন্দের সাথে ভগবানের সেবায় নিয়োজিত হন । কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলন মানুষকে শেখায় যে , প্রত্যেকেই আমরা ভগবানের নিত্য দাস । তাই আমাদের উচিত স্বেচ্ছায় , সানন্দে ভগবানের সেবায় আত্মনিবেদন করা । “ নিজেকে ভগবান মনে করে মিথ্যা অহংকার কখনও করো না । ভগবানকে স্বীকার না করলেও তোমাকে তা করতেই হবে । দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুও শ্রীভগবানকে গ্রাহ্য করতেন না । তাই স্বয়ং ভগবান এসে তাকে বধ করেন । সেরকমই নাস্তিকদের কাছে ভগবান মৃত্যু রূপে দেখা দেন , কিন্তু আস্তিক অর্থাৎ যারা ভগবানকে বিশ্বাস করেন তাদের কাছে তিনি প্রেমিকরূপে আসেন । এটিই হল পার্থক্য ।

          এটিই হল মূল দর্শন । আর আপনি যদি ভগবানের পরম ভক্ত হয়ে পারমার্থিক জীবন ধারায় এই দর্শন উপলব্ধি করতে পারেন , তা হলেই আপনার জীবন সার্থক । সেখানে আপনি এক মুহূর্ত বাঁচুন বা একশ বছর বাঁচুন – সেটা কোনও ব্যাপারই নয় । অন্যথায় বেঁচে থাকার কাই বা দরকার ? কিছু গাছ যেমন পাঁচশ বা পাঁচ হাজার বছর অবধি বেঁচে থাকে । কিন্তু এইরকম উন্নত চেতনাবিহীন জীবন ধারণ শুধুই অর্থহীন ।

          আপনি যদি এটা জানেন যে , আপনি হচ্ছেন ভগবানের সেবক , আর সকল বস্তুই ভগবানের । তাহলে আপনি একশ বছর জীবিত থেকে আপনার কর্তব্যকর্ম করলেও কিন্তু আপনাকে তার কোন প্রতিক্রিয়া ভোগ করতে হবে না । ভগবদ্গীতায় ( ৩/৯ ) দৃঢ়ভাবে তা প্রতিপন্ন করে বলা হয়েছে – যজ্ঞার্থাৎ কর্মগোহন্যত্র লোকোহয়ং কর্মবন্ধনঃ " কৃষ্ণের প্রীতির জন্যই কেবল কর্ম করা উচিত । অন্যথায় ভাল অথবা মন্দ যে কোন কর্মই আপনাকে এ জগতের বন্ধনে আবদ্ধ করবে । ” আপনি যদি ভাল কর্ম করেন তাহলে পরবর্তী জীবনে তথাকথিত সুখভোগ করতে পারবেন । কিন্তু তবুও জন্ম - মৃত্যুর চক্রেই আপনাকে আবদ্ধ থাকতে হবে । আর মন্দ কর্মের ফলে আপনাকে কষ্টভোগ করতে হবে এবং আপনি এজগতেই আবদ্ধ থাকবেন । কিন্তু আপনি যদি কৃষ্ণের প্রীতির জন্য কর্ম করেন তা ভাল অথবা মন্দ যাই হোক না কেন সেখানে এরকম কোন প্রতিক্রিয়া নেই এবং মৃত্যুর সময় আপনি শ্রীকৃষ্ণের কাছে ফিরে যাবেন । কর্মবন্ধন ছিন্ন করার এটিই একমাত্র পন্থা ।

    এর পরবর্তী পৃষ্ঠা

  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।