সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।
আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
ভূমিকা ,
১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি =>
কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,
শরীরের পরিসীমার ওপরে ,
পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,
জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,
শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,
ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,
দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,
তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,
দ্বিতীয় অধ্যায়
খারাপ কর্ম
শ্লোক ২৯ : ভগবান কপিলদের বললেন- হে মাতঃ ! কখনও কখনও বলা হয় যে , এই পৃথিবীতেই নরক অথবা স্বর্গের অনুভব হয় , কারণ কখনও কখনও এই পৃথিবীতেও নারকীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে দেখা যায় ।
তাৎপর্য : কখনও কখনও নাস্তিকেরা নরক সম্বন্ধে শাস্ত্রের এই বর্ণনা বিশ্বাস করে না । তারা এই প্রকার প্রামাণিক বর্ণনার অবহেলা করে । ভগবান কপিলদেব তাই তা প্রতিপন্ন করে বলেছেন যে , এই পৃথিবীতেও সেই সমস্ত নারকীয় অবস্থা দেখা যায় । এমন নয় যে , তা কেবল যমলোকেই হয় । যমলোকে সেই নারকীয় পরিস্থিতিতে পাপীদের থাকবার সুযোগ দেওয়া হয় , যা তাকে তার পরবর্তী জীবনে সহ্য করতে হবে , এবং তার পর তাকে সেই নারকীয় জীবন ভোগ করার জন্য , অন্য আর একটি লোকে জন্ম গ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয় । দৃষ্টান্ত স্বরূপ বলা যায় যে , নরকে যদি কোন ব্যক্তিকে মল - মূত্র পাওয়ার দণ্ড দেওয়া হয় , সেইটি প্রথমে সে যমলোকে অভ্যাস করে , এবং তার পর তাকে শূকরের শরীরের মতো একটি বিশেষ শরীর দেওয়া হয় , যাতে সে মল মূত্র আহার করে মনে করে যে , সে তার জীবন উপভোগ করছে । পূর্বে বলা হয়েছে , যে কোন নারকীয় অবস্থায় বদ্ধ জীব মনে করে , সে সুখী । তা না হলে , তার পক্ষে নরক যন্ত্রণা ভোগ করা সম্ভব হত না ।
শ্লোক ৩০ : যে মানুষ পাপ কর্মের দ্বারা নিজেকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের ভরণ - পোষণ করেছিল , এই শরীর ত্যাগ করার পর , তাকে নারকীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় , এবং তার আত্মীয় - স্বজনদেরও যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় ।
তাৎপর্য : আধুনিক সভ্যতার ভ্রান্তি হচ্ছে এই যে , মানুষ পরবর্তী জীবন সম্বন্ধে বিশ্বাস করে না । তারা বিশ্বাস করুক বা না - ই করুক , পরবর্তী জীবন রয়েছে , এবং কেউ যদি বেদ , পুরাণ আদি প্রামাণিক শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে দায়িত্বশীল জীবন যাপন না করে , তা হলে তাকে দণ্ডভোগ করতে হবে । মনুষ্যেতর প্রাণীরা তাদের কার্যকলাপের জন্য দায়ী নয় , কারণ তাদের কোন এক বিশেষভাবে আচরণ করানো হয় , কিন্তু মনুষ্য চেতনা সমন্বিত বিকশিত জীবনে , কেউ যদি তার কার্যকলাপের জন্য দায়ী না হয় , তা হলে তাকে এখানকার বর্ণনা অনুসারে , তাকে অবশ্যই নারকীয় জীবন ভোগ করতে হবে ।
শ্লোক ৩১ : তার বর্তমান শরীর ত্যাগ করার পর , সে একলা নরকের গভীরতম অন্ধকার প্রদেশে প্রবেশ করে , এবং অন্য প্রাণীদের প্রতি হিংসা করে সে যে ধন অর্জন করেছিল , সেই পাপকে পাথেয়রূপে সে সঙ্গে নিয়ে যায় ।
তাৎপর্য : মানুষ যখন অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন করে তার পরিবার এবং নিজের ভরণ - পোষণ করে , তখন সেই ধন পরিবারের সমস্ত সদস্যরাই উপভোগ করে , কিন্তু তাকে একলা নরকে যেতে হয় । যে মানুষ অর্থ উপার্জন করে অথবা অন্যের প্রতি হিংসা করে জীবন উপভোগ করে , এবং যে পরিবার পরিজন ও বন্ধু - বান্ধব নিয়ে জীবন উপভোগ করে , তাকে এই প্রকার হিংসা এবং সেই ধন দিয়ে তার পরিবার প্রতিপালন করে , তখন তার অর্জিত সেই অভিশপ্ত ধন যারা ভোগ করেছিল , তাদেরও আংশিকভাবে তার দায়িত্ব গ্রহণ দণ্ডভোগ করতে হয় । জড় সুখভোগের ফল ধন - সম্পদ সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে না , সে কেবল তার পাপ কর্মের ফল সঙ্গে নিয়ে যায় । যে ধন - সম্পদ সে উপার্জন করেছিল , তা তাকে এই পৃথিবীতে রেখে যেতে হয় । এবং সে কেবল তার কর্মফল সঙ্গে নিয়ে যায় ।।
এই পৃথিবীতেও কোন মানুষ যদি কাউকে হত্যা করে কিছু ধন সংগ্রহ করে , তার পরিবারের সদস্যেরা যদিও সেই পাপের দ্বারা কলুষিত হয়েছে , তবুও তাদের ফাঁসি দেওয়া হয় না । কিন্তু যে ব্যক্তিটি হত্যা করেছে এবং তার পরিবার প্রতিপালন করছে , তাকেই হত্যাকারীরূপে ফাঁসি দেওয়া হয় । পাপ কর্মের জন্য অপ্রত্যক্ষভাবে যে - ভোগ করেছে , তার থেকে প্রত্যক্ষভাবে যে অপরাধ করেছে , সে বেশি দায়ী । মহান জ্ঞানী চাণক্য পণ্ডিত তাই বলেছেন যে , মানুষের কাছে যা কিছু আছে , তা সব যেন সৎকার্যে বা পরমেশ্বর ভগবানের উদ্দেশ্যে ব্যয় করা হয় , কারণ সে তার সম্পদ সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারবে না । সেইগুলি এইখানেই থাকে এবং তা নষ্ট হয়ে যায় । হয় আমরা ধন - সম্পদ ছেড়ে চলে যাই , অথবা ধন - সম্পদ আমাদের ছেড়ে চলে যায় । আমাদের পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হতেই হয় । তাই , যতক্ষণ ধন - সম্পদ আমাদের অধিকারে থাকে , ততক্ষণ কৃষ্ণভক্তি লাভের জন্য তা ব্যয় করা উচিত ।
ক্লোক ৩২ : এইভাবে পরমেশ্বর ভগবানের ব্যবস্থাপনায় কুটুম্ব পোষণকারী ব্যক্তিকে তার পাপ কর্মের ফল ভোগ করার জন্য নারকীয় অবস্থায় নিক্ষেপ করা হয় , তার অবস্থা তখন হৃত - সর্বস্ব ব্যক্তির মতো হয় ।
তাৎপর্য : এখানে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যে , পাপীরা ঠিক একটি হৃত - সর্বস্ব ব্যাক্তির মতো কষ্টভোগ করে । বদ্ধ জীব বহু জন্ম - জন্মান্তরের পর মনুষ্য শরীর প্রাপ্ত হয় , এবং এইটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ । ভব - বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য এই জীবনের সদ্ব্যবহার না করে , কেউ যদি তার তথাকথিত পরিবার প্রতিপালনের জন্য কেবল তা ব্যবহার করে , তা হলে বুঝতে হবে সে অত্যন্ত মূর্খের মতো এবং অবৈধভাবে আচরণ করছে , তার তুলনা সেই ব্যক্তির সঙ্গে করা হয়েছে, যে তার সমস্ত ধন-সম্পদ হারিয়ে ফেলেছে, এবং হারাবার ফলে শোক করছে । ধন - সম্পদ হারিয়ে গেলে , শোক করে কোন লাভ হয় না, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ধন সম্পদ রয়েছে, ততক্ষণ তা যথাযথভাবে সদ্ব্যবহার করা উচিত এবং তার দ্বারা শাশ্বত লাভ প্রাপ্ত হওয়া উচিত । এখানে কেউ তর্ক উত্থাপন করতে পারে যে , মানুষ যেহেতু তার পাপ কর্মের দ্বারা অর্জিত ধন ছেড়ে দিয়ে চলে যায় , তাই সে তার ধন - সম্পদের সঙ্গে তার পাপ কর্মও ছেড়ে চলে যায় । কিন্তু এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে , যদিও মানুষ তার পাপ কর্মার্জিত ধন ফেলে রেখে যায় , তবুও দৈবের ব্যবস্থাপনায় ( দৈবেনাসদিতম্ ) সে তার কর্মের ফলটি সঙ্গে নিয়ে যায় । কেউ যখন ধন চুরি করে , ধরা পড়ার পর সে যদি তা ফিরিয়ে দিতে সম্মত হয় , তবুও তাকে সেই অপরাধের দণ্ড থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না । রাষ্ট্রের আইনে , সে টাকা ফিরিয়ে দিলেও , তাঁকে দণ্ডভোগ করতে হয় । তেমনই , অপরাধের দ্বারা অর্জিত ধন মৃত্যুর সময় যদিও ফেলে রেখে যেতে হয় , কিন্তু দৈবের ব্যবস্থাপনায় সে তার কর্মের ফল সঙ্গে নিয়ে যায় , এবং তাই তাকে নারকীয় জীবন ভোগ করতে হয় ।
শ্লোক ৩৩ : অতএব , যে ব্যক্তি অবৈধ উপায়ের দ্বারা তার পরিবার এবং আত্মীয় - স্বজন পালনে অত্যন্ত উৎসুক , সে অন্ধতামিস্র নামক নরকের গভীরতম অন্ধকার প্রদেশে প্রবেশ করে ।
তাৎপর্য : এই শ্লোকে তিনটি শব্দ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । কেবলেন মানে ‘ কেবল অবৈধ উপায়ের দ্বারা , ' অধর্মেণ মানে ' পাপপূর্ণ বা অধার্মিক , ' এবং কুটুম্বভরণ মানে ‘ পরিবারের ভরণ - পোষণ । ' পরিবারের ভরণ - পোষণ করা অবশ্যই গৃহস্থের কর্তব্য , কিন্তু তাকে শাস্ত্রসম্মত বিধি অনুসারে জীবিকা অর্জন করা উচিত । ভগবদ্গীতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে , ভগবান গুণ এবং কর্ম অনুসারে সমাজ ব্যবস্থাকে চারটি বর্ণে বিভক্ত করেছেন । ভগবদ্গীতা ছাড়াও , প্রতিটি সমাজে গুণ এবং কর্ম অনুসারে মানুষের পরিচিতি হয় । যেমন , কেউ যখন কাঠের আসবাবপত্র তৈরি করে , তাকে বলা হয় ছুতোর মিস্ত্রি , এবং কেউ যখন নিহাই এবং লোহা নিয়ে কাজ করে , তাকে বলা হয় কামার । তেমনই ডাক্তারি অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে যে - সমস্ত মানুষ যুক্ত , তাদের বিশেষ কর্তব্য এবং উপাধি রয়েছে । মানব - সমাজের এই সমস্ত কার্যকলাপের বিভাগ ভগবান করেছেন চারটি বর্ণে , যথা – ব্রাহ্মণ , ক্ষত্রিয় , বৈশ্য এবং শূদ্র । ভগবদ্গীতায় এবং অন্যান্য বৈদিক শাস্ত্রে ব্রাহ্মণ , ক্ষত্রিয় , বৈশ্য এবং শূদ্রদের বিশেষ কর্তব্যসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে ।
মানুষের কর্তব্য তার যোগ্যতা অনুসারে সৎভাবে কর্ম করা । অন্যায়ভাবে কোন কিছু অর্জন করা উচিত নয় । অন্যায়ভাবে বলতে বোঝায় , সে যে - কার্যের যোগ্য নয় , সেই কার্যের দ্বারা । কোন ব্রাহ্মণ যদি ধর্মাচার্যের পদে নিযুক্ত থাকে , যার কর্তব্য হচ্ছে তার অনুগামীদের পারমার্থিক জীবনের জ্ঞান দান করা , তার যদি ধর্ম যাজক হওয়ার যোগ্যতা না থাকে , তা হলে সে জনসাধারণকে প্রতারণা করছে । অন্যায়ভাবে কখনও কিছু সংগ্রহ করা উচিত নয় , এই নীতিটি ক্ষত্রিয় অথবা বৈশ্যের বেলায় প্রযোজ্য । এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে , যাঁরা কৃষ্ণভক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছেন , তাঁদের জীবিকা নির্বাহের উপায় অত্যন্ত সৎ এবং সরল হওয়া উচিত । এখানে উল্লেখ করা হয়েছে , যে ব্যক্তি অন্যায় উপায়ের দ্বারা ( কেবলেন ) তার জীবিকা অর্জন করে , তাকে নরকের অন্ধতম প্রদেশে নিক্ষেপ করা হয় । অন্যথায় , কেউ যদি শাস্ত্রোক্ত বিধিতে এবং সৎ উপায়ে তাঁর পরিবার প্রতিপালন করেন , তা হলে গৃহস্থ হতে কোন আপত্তি নেই ।
শ্লোক ৩৪ : সমস্ত কষ্টকর নারকীয় অবস্থা ভোগ করার পর এবং নিম্নতম পশু - জীবন থেকে মনুষ্য জন্মের পূর্ব পর্যন্ত সমস্ত স্তর ক্রমশ অতিক্রম করে , এবং এইভাবে দণ্ডভোগ করার মাধ্যমে পাপ থেকে মুক্ত হয়ে সে পুনরায় এই পৃথিবীতে মনুষ্যরূপে জন্ম গ্রহণ করে ।
তাৎপর্য : কারাগারে দণ্ডভোগ করার পর , ঠিক যেমন একটি কয়েদিকে পুনরায় মুক্ত করা হয় , তেমনই যে ব্যক্তি সর্বদা পাপ আচরণে যুক্ত থেকে অন্যায়ভাবে আচরণ করেছে , তাকে নারকীয় অবস্থায় রাখা হয় , এবং কুকুর , বিড়াল , শূকর আদি নিম্ন স্তরের পশুদের নারকীয় জীবন ভোগ করার পর , সে পুনরায় মনুষ্যরূপে ফিরে আসে । ভগবদ্গীতায় উল্লেখ করা হয়েছে যে , যোগ অনুশীলনে রত ব্যক্তির যদি সিদ্ধি লাভের পূর্বে কোন না কোন কারণে যোগভ্রষ্ট হয় , তা হলে তার পরবর্তী জীবনে তিনি নিশ্চিতরূপে মনুষ্য - জন্ম লাভ করবেন । সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে , সেই প্রকার যোগভ্রষ্ট ব্যক্তি অত্যন্ত ধনী অথবা অত্যন্ত পুণ্যবান পরিবারে জন্ম গ্রহণ করে পুনরায় পরমার্থের পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ পান । ' ধনী পরিবার ' বলতে সম্ভ্রান্ত বৈশ্য পরিবার বোঝানো হয়েছে , কারণ সাধারণত যাঁরা ব্যবসা বাণিজ্যে যুক্ত , তাঁরা অত্যন্ত ধনী হন । যে ব্যক্তি আত্ম - উপলব্ধির পন্থায় যুক্ত হয়েছেন , অথবা পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়েছেন , তিনি যদি এই জীবনে সিদ্ধি লাভ না করতে পারেন , তা হলে এই প্রকার ধনী পরিবারে অথবা পুণ্যবান ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁকে জন্ম গ্রহণ করতে দেওয়া হবে ; উভয় ক্ষেত্রেই , তিনি তাঁর পরবর্তী জীবনে মনুষ্য সমাজে জন্ম গ্রহণ করার নিশ্চয়তা লাভ করেছেন ।
এখানে সিদ্ধান্ত করা যায় যে , কেউ যদি তামিস্র অথবা অন্ধতামিস্রের মতো নারকীয় জীবনে প্রবেশ করতে না চান , তা হলে তাকে অবশ্যই কৃষ্ণভক্তির পন্থা অবলম্বন করতে হবে , যা হচ্ছে সর্বোত্তম যোগ পদ্ধতি , কারণ তিনি যদি এই জীবনে পূর্ণ কৃষ্ণভক্তি লাভ না করতে পারেন , তা হলে অন্তত পরবর্তী জীবনে তিনি যে - মনুষ্যকুলে জন্ম গ্রহণ করবেন , সেই সম্বন্ধে কোন সন্দেহ নেই । তাঁকে নরকে নিক্ষেপ করা যাবে না । কৃষ্ণভক্তি হচ্ছে শুদ্ধতম জীবন , এবং তা মানুষকে নরকে পতিত হয়ে , কুকুর অথবা শূকর যোনিতে জন্মগ্রহণ করা থেকে রক্ষা করে ।
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "