তবে এক্ষেত্রে এটা আমরা আমাদের চলার পথের ধ্রুব নীতি হিসাবে মনে প্রাণে মেনে নিয়েছি যে, “সত্যকে গ্রহণ করো তথা মিথ্যাকে বর্জন করো”। এই একটা গুণকে যদি সবাই প্রাধান্য দিয়ে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারি- তবেই দেশ তথা সমগ্র মানবজাতি সকলেরই সর্বাঙ্গিন কল্যাণ সাধিত হবে। -এতেই চরিত্রের অন্যান্য সকল খারাপ গুণগুলো আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যাবে এবং ভালো গুণগুলো বিকশিত হতে থাকবে। বিষয়গুলো পরীক্ষিত, সম্ভব হলে তোমার নিজের জীবন থেকে মিলিয়ে নিও।
হৃদয়- সত্যিই তো! তোমাদের এসমস্ত অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমী পদক্ষেপগুলো আমার মনের অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। অনেক সমস্যার সমাধান হয়তো এরই মধ্যে লুকিয়ে আছে। আচ্ছা এসংক্রান্ত বিশেষ উল্ল্যেখ করার মতো আর কোন কৌশল আছে?
স্বপ্নিল- হ্যাঁ এসংক্রান্ত আরও একটি উল্ল্যেখ করার মতো কৌশল আমার এই মুহূর্তে মনে পড়ছে আর তা হলো-
“কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক সংগঠন” যেটি তত্ত্বাবধানে আছেন সেই সমস্ত ব্যক্তিরা যারা সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত এবং যারা মনে করেন তাঁদের জীবনের লক্ষ্য মোটামুটি অর্জিত হয়েছে; এখন আর বিশেষ কিছু চাওয়ার নেই; পাশাপাশি তেমন কিছু পাওয়ারও বাকী নেই। এসংগঠনের সদস্যগণ সমাজের ভি.ভি.আই.পি. মর্যাদা প্রাপ্ত এবং সর্বজন সুপরিচিত ও প্রশংসিত। এব্যাপারে তোমায় একটু পরে বলছি। এ সংগঠনে কাউন্সেলিং কমিটি নামে কতকগুলি বিশেষ কমিটি আছে যাদের অন্যতম দায়িত্ব হলো মৌখিক পরীক্ষা এবং কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে কাউকে তাঁর কর্মজীবনের লক্ষ্য অর্থাৎ উপযুক্ত পেশা নির্ধারণে দুইটি বিকল্প পেশাকে বাছাই করে তাঁকে সহায়তা করা, পাশাপাশি সুযোগ সুবিধামত উক্ত প্রার্থীকে তাঁর কাঙ্ক্ষিত পেশায় নিয়োগের ব্যবস্থা করা। মাধ্যমিক স্তর অতিক্রম করার পর থেকে যে কেউ এ ধরণের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। তবে এখানে কিছু নির্দিস্ট শর্তসহ একটি ফরম থাকে সেগুলো পূরণ করা সাপেক্ষে তাঁকে এ ধরণের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। একটা নমুনা আবেদন ফরমের কপি আমার কাছে আছে দেখ।