স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

• কথোপকথনের মাধ্যমে নির্মিত একটি বিকল্প রাষ্ট্রদর্শন
• আর প্রতিটি কথার ফাঁকে ফাঁকে তুলে ধরা একটা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র–পরিকল্পনা

এটা সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত


পূর্বোল্লিখিত বিবরণের পর -


প্রকৃতপক্ষে “আমার সন্তান” এবং “অন্যের সন্তান” এই দুইয়ের মধ্যে ব্যাপক কোন পার্থক্য নেই; যদি তাঁদেরকে সুসন্তান হিসাবে গড়ে তোলা না যায়। সময় এবং পরিস্থিতি ভেদে এই সন্তানই একদিন হয়ে ওঠে গলার কাঁটা (না যায় গেলা; না যায় ফেলা) । এর থেকে ভালো হতোনা যদি আমার সন্তানতুল্য শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিকে আরও একটু সুনজর দিতাম; পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধিতে আরও একটু যত্নবান হতাম? নিশ্চয়ই ভালো হতো; দেশ ও দশের মঙ্গল হতো। আর এজন্য হয়তো আমার মুনাফার হার বেশ খানিকটা কমে যেত! কিন্তু তাতে কী- মৃত্যুর আগে বুকভরা শান্তি আর দশজনের আন্তরিক ভালোবাসার নিশ্চয়ই কোন অভাব হতো না!

আমি মোটামুটি একটা হিসাব করে দেখেছি- আমার কর্মজীবনের সর্বশেষ দশটি বৎসর যদি এমন উদার নীতি অবলম্বন করে চলতাম এবং তার পূর্বজীবনে অপেক্ষাকৃত কম উদার নীতি অবলম্বন করতাম, তাহলে হয়ত আমার মোট সম্পদের পরিমান ১/৪ অংশ কমে যেত। কিন্তু তাতে কী বিশেষ কোন ক্ষতি হতো? হয়তোবা আরও কিছুদিন সুস্থ শরীর ও নিশ্চিন্ত হাসিখুশি জীবন যাপন করতে পারতাম! মৃত্যুর পর (শুধুমাত্র আপন কর্মফল ব্যতীত) সবকিছুই তো রেখে ওপারে যেতে হবে শূন্য হাতে; তবে কীসের জন্য –এ বিরামহীন ছোটাছুটি??? ভেবে দেখবেন সবাই। ভালো থাকবেন এই শুভকামনায় এখানেই সকলের উদ্দেশ্যে আমার সংক্ষিপ্ত সত্য উপলব্ধি সমাপ্ত করলাম।



-ওরে হৃদয় ওঠ বাবা ওঠ, কত বেলা হল! আর কত ঘুমাবি? এবার ওঠ।

- কী যে করনা মা! একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখছিলাম, স্বপ্নটা ভেঙ্গে দিলে!?

-স্বপ্ন ভেঙ্গে দিলাম কীরে, আমি তো তোকে জেগে উঠতে বললাম। এখনও কী জেগে ওঠার সময় হয়নি বাবা?

[হৃদয়ের মা হৃদয়কে ঘুম থেকে ওঠার কথা বলে রান্না ঘরের দিকে গেল। হৃদয় ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে অনেক দেরী হয়ে গেছে, এখন সে কী করবে, কোনটা আগে করবে, কোনটা পরে- কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না।]


সর্বশেষ পৃষ্ঠা নং- ৪৯ , 

এখানেই দিবাস্বপ্ন সমাপ্ত।





চরিত্র পরিচিতি=

এখানে পাশাপাশি কয়েকটি চরিত্রের মধ্যকার কথোপকথন দেখানো হয়েছে যেটা একটু বলা প্রয়োজন মনে হয়-

চরিত্র-১ = যেটি লেখকের বা যে গল্পটি বলছে তার ( এটি হতে পারে প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের) মুখের কথা বা বাহ্যিক অনুভূতি ।

চরিত্র-২ = যেটি '' হৃদয় / * '' নাম দেওয়া হয়েছে এটি লেখকের ( এটি হতে পারে প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের) অন্তরের অনুভূতি তথা বিবেকের বহিঃপ্রকাশ।

চরিত্র-৩ = যেটি '' স্বপ্নিল / ** '' নাম দেওয়া হয়েছে এটি লেখকের (এটি হতে পারে প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের ) অন্তর্নিহিত স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ।

চরিত্র-৪ = যেটি '' হৃদয়ের মা '' = সেটি হতে পারে দেশমাতৃকা বা দেশমাতার আকুতি ।

* * * স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরীতে আপনাকে স্বাগতম। আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা পরামর্শ প্রদান করে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ * * *

জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।