বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিগণ কর্তৃক নির্ধারিত সাধারণ অনুমোদিত সর্বনিম্ন সীমা
বা মাত্রা হলো ৪, অর্থাৎ যেকোন কোম্পানিকে এমন মানের কাঁচামাল ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমোদন করা হয়েছে যা উৎকৃষ্টতার বিচারে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অন্ততঃপক্ষে যেন ৪ নং স্তরে বা তার উপরে থাকে। চিত্রটি আরও একবার দেখ-
তবে বলে রাখি- আমাদের ওখানে যেকোন পণ্যের প্যাকেট বা বোতলের গায়ে নিম্নোক্ত Product Grading Result টুকু শুধুমাত্র লেখা থাকে। এছাড়া MRP এবং মেয়াদ তো থাকেই।
হৃদয়-- বাঃ খুবই সুন্দর ব্যবস্থা, যদি পণ্যের প্যাকেটের গায়ে এমনই গ্রেড, মূল্য এবং মেয়াদ উল্লেখ থাকে তাহলে যাচাই করতে ভোক্তাদের তথা সাধারণ মানুষদের খুব সুবিধাই হবে। আচ্ছা এসংক্রান্ত তাঁরা আর কি কি করে থাকে?
স্বপ্নিল-- প্রথমটাতো শুনলে সকল ধরণের পণ্যের গ্রেডিং করে থাকে। এরপর উক্ত পণ্যের গ্রেডিং সার্টিফিকেটসহ মূল্যায়ন পত্র তাঁদের অর্থাৎ পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে আপলোড করে থাকে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও আপলোড করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এবং বৎসরে দুইবার তা পুনঃপরীক্ষা করে রিপোর্ট আপগ্রেড করিয়ে নিতে একপ্রকার বাধ্য করা হয়।
হৃদয়-- একপ্রকার বাধ্য করা হয় ঠিক বুঝলাম না, একটু যদি বলো।
স্বপ্নিল-- বাধ্য করা হয় এই জন্য বললাম যে, কেউ যদি নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে তাঁর পণ্য পুনঃ পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট আপডেট না করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে যে ব্যবস্থা নেয়া হয় তা হলো- সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রেডিং সার্টিফিকেটটির উপর লাল X চিহ্ন এবং Expired লেখা যুক্ত করে উক্ত পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়।
এতে করে সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ক্রেতা সাধারণের একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই সকলে যথাসময়ে তাদের সংশ্লিষ্ট পণ্যের পুনঃ পরীক্ষা করিয়ে গ্রেডিং সার্টিফিকেট আপডেট করিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে যে কেউ চাইলে সেখান থেকে দেখে নিতে এবং যাচাই করতে পারে। তাছাড়া যেকোন পণ্যের ক্ষেত্রে- বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা অনুমোদিত ক্ষতিকারক উপাদানের সহনীয় মাত্রা এবং উপকারী উপাদানের সর্বনিম্ন সীমা প্রস্তুত করে তা আপলোড করা আছে। তাই যেকোন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে তা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হয়। এছাড়া ভিন্ন নতুন কোন পণ্য বাজারজাত করতে হলেও তার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধাপ বা পদক্ষেপ তাদেরকে অনুসরণ করতে হয়।
হৃদয়-- বাঃ বেশ ভালই তো মনে হচ্ছে। তোমার কি খারাপ লাগছে বলতে যদি এব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে চাই?
স্বপ্নিল-- না-না ভালই তো লাগছে, নিজের দেশের- তথা নিজের সম্পর্কে প্রশংসাসূচক কোন কথা বলতে কারো কি খারাপ লাগে? তাছাড়া তুমি আমার প্রাণের মানুষ, অতি আপনজন- তোমার সাথে কথা বলে সময় কাটাচ্ছি, তোমার ভাল লাগছে মানে আমারও খুব ভাল লাগছে- এটাই ভাববে।
তুমি যা খুশী আমার থেকে জেনে নিতে পারো, আমার জানা থাকলে আমি নিশ্চয়ই সেটি তোমায় জানাব। এবার মন দিয়ে শোন-
পৃষ্ঠা নং- ৬, পরবর্তী বিবরণ