স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

• কথোপকথনের মাধ্যমে নির্মিত একটি বিকল্প রাষ্ট্রদর্শন
• আর প্রতিটি কথার ফাঁকে ফাঁকে তুলে ধরা একটা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র–পরিকল্পনা

এটা সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত


পূর্বোল্লিখিত বিবরণের পর -

স্বপ্নিল-- হ্যাঁ অবশ্যই আছে, এক্ষেত্রে সর্বশেষ সার্টিফিকেট নেওয়ার তারিখ হতে ছয়মাস পূর্ণ হওয়ার ১৫ দিন পূর্ব থেকে ১৫ দিন পর এই এক মাসের মধ্যে উক্ত সার্টিফিকেট নবায়ন করিয়ে নিতে হয়। কোন কারণে ব্যর্থ হলে জরিমানা দিয়ে তার পরবর্তী মাসের মধ্যে নেওয়া যায়। এতেও ব্যর্থ হলে দ্বিগুণ জরিমানা দিয়ে তার পরবর্তী মাসের মধ্যে নেওয়া যায়। কিন্তু এতেও ব্যর্থ হলে চারগুন জরিমানা দিয়ে লাইসেন্স বাতিল না করার সর্বশেষ সুযোগটুকু দেওয়া হয় যাতে তারা সার্টিফিকেট নবায়ন করিয়ে নেয়। এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উৎপাদন লাইসেন্স বাতিল করা হয় এবং বিষয়টি জেলা প্রেসক্লাব সভাপতিকে অবহিত করা হয়। সেই সাথে ওয়েবসাইটে উক্ত বাতিল সার্টিফিকেট আপলোড করা হয়।

হৃদয়-- আচ্ছা বুঝলাম যাতে বিষয়টি সকলেই জানতে পারে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। বাঃ বেশ ভাল। কিন্তু তুমি যেটা বললে সেটাতো কেবল প্যাকেট বা বোতলজাত পণ্যের ক্ষেত্রে, বাজারে তো এছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্য রয়েছে যেগুলো খোলা বিক্রি হয় যেমন সবজি, মাছ, বিভিন্ন প্রকারের ফল ইত্যাদি এক্ষেত্রে তোমরা কি করো? আমাদের দেশে তো এটি একটি আতঙ্কে রূপ নিয়েছে।যেকোন মাছ, সবজি, ফল কিনতে গেলে তো ফরমালিন, কারবাইড, রাইপেন ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিকের ভয়ে সব সময় ভীত-সন্ত্রস্ত থাকতে হয়। এগুলো মিশ্রিত খাবার দীর্ঘমেয়াদে খেলে এমনকি ক্যানসারও হতে পারে! আবার না কিনেও উপায় নেই; শেষে উপর ওয়ালার উপর ভরসা করেই কিনতে হয়, খেতেও হয়।


স্বপ্নিল-- হ্যাঁ খুব সুন্দর কথা বলেছ। তবুতো তোমরা উপর ওয়ালার উপর ভরসা করো এবং ভালই আছ। তবে শুধু উপরওয়ালার উপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না; নিজেদের কর্মের উপরও আস্থা রাখতে হবে। দেখ এক্ষেত্রেও আমাদের দেশে বেশ ভালো ব্যবস্থাই বিদ্যমান আছে।

যেমন- #প্রথমতঃ সরকারীভাবে এই সমস্ত রাসায়নিক আমদানি, ব্যবহার এবং সংরক্ষণের উপর কঠোর নীতিমালা যেমন আছে- তেমনি তার নিয়মিত তদারকি এবং বাস্তবায়নও আছে যথাযথ।


## এছাড়া সরকারী উদ্যোগে খুব স্বল্প মূল্যে ফরমালিন, কারবাইড বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান পরীক্ষার জন্য বিভিন্নপ্রকার ছোট-বড় যন্ত্র বা কিট সরবরাহ করে থাকে। এগুলো ছোট-খাটো মুদি দোকান থেকে শুরু করে যেকোন ঔষধের দোকান, বড় বড় শপিং কমপ্লেক্স সর্বত্রই পাওয়া যায়। এগুলো আমরা প্রয়োজনে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারি এবং এথেকে উপকার পেয়ে থাকি।

বলতে পারো এখন এগুলো আর ব্যবহার করার দরকারই পড়ে না; কারন যেসমস্ত অসাধু ব্যক্তিরা-


বা অসাধু ব্যবসায়ীরা এধরনের ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যে ব্যবহার করত- তারা নিজেরাই এখন অনেক সচেতন। তাদের বক্তব্য শুনলে তুমি অবাক হয়ে যাবে! তারা বলে, কয়েকটা উদাহরণ দেই যেমন- "সব্জি ব্যবসায়ী সব্জিতে বিষ দেয়, মাছ ব্যবসায়ী মাছে বিষ দেয়, ফল ব্যবসায়ী ফলে বিষ দেয়; অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের ব্যবসায়ীরা তাঁদের নিজ নিজ পণ্যে ভেজাল দেয়; কিন্তু ভেবে দেখ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্য, মাছ, সব্জি, ফল প্রত্যেকেরই খেতে হয়; ফলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? আমাদের খাদ্যে আমরাই বিষ মিশাই, ভেজাল দেই এবং আমরা সকলেই সেই বিষ মিশানো বিষাক্ত খাবার- ভেজাল খাবার খাই! আমরা জেনে শুনে কেন এমনটি করব?" হতে পারে তারা সুযোগ পায় না তাই সুযোগ গ্রহণ করেনা- কিন্তু একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা অবশেষে সমাধানের দিকে তো এগুচ্ছে না- কি বলো?

হৃদয়- হ্যাঁ নিশ্চয়ই এবং খুবই সুন্দর প্রশংসনীয় তোমাদের এসংক্রান্ত পদক্ষেপ, এটা স্বীকার করতেই হয়।

তোমার কথা শুনে একটা গল্প মনে পড়ে গেল; একবার এক এলাকার গণ্যমান্য ধনী ব্যক্তি থানায় এক ঘি বিক্রেতার নামে অভিযোগ করেছিল।

পৃষ্ঠা নং- ৮ ,  পরবর্তী বিবরণ

* * * স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরীতে আপনাকে স্বাগতম। আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা পরামর্শ প্রদান করে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ * * *

জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।