66) স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে কথা-৬
স্ত্রী : তোমার মনে আছে বিয়ের প্রথম দিনে তুমি কী করেছিলে ?
স্বামী : গাল কামড়ে দিয়েছেলাম তোমার।
স্ত্রী : সেদিন কী আর ফিরে পাব ?
স্বামী : দাঁড়াও বাথরুম থেকে দাঁতটা নিয়ে আসি-
স্ত্রী : তুমি ঘড়ির দোকানের মালিকের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবে বলছ কেন?
স্বামী : যাতে বিয়ের সময় জামাইকে ঘড়ি দিতে না হয় তাই।
67) ও তো আমার ভাষাই বোঝে না !
স্বামী : পার্টিতে ঐ ইংরেজটা ওইভাবে তোমাকে চুমু খেল, তুমি বাধা দিলে না কেন?
স্ত্রী : আরে আমি তো কত বারণ করলাম। কিন্তু ও তো আমার ভাষাই বোঝে না।
68) অভিনয় করলাম
স্বামী-স্ত্রীর ছোট সংসারে হঠাৎ করে অতিথি এসে হাজির। যাবার নাম নেই। তখন স্বামী-স্ত্রী যুক্তি করল তারা ঝগড়ার অভিনয় করবে। তাই শুরু হল-হুলস্থুল কান্ড। এই দেখে অতিথি বাক্মপেঁটরা গুছিয়ে পালাল।
স্বামী : হাঃ হাঃ কাজ হয়েছে- এই তোমার লাগে নি তো মিথ্যে মারছিলাম ।
স্ত্রী : না আমিও মিথ্যে মিথ্যে কাঁদছিলাম। এ সময় দরজা দিয়ে অতিথিকে ফের বাক্সপেঁটার নিয়ে ঢুকতে দেখা গেল।
স্বামী-স্ত্রী : আপনি ?
অতিথি : আরে আমিও কি সত্যি সত্যি চলে গিয়েছিলাম, মিথ্যে মিথ্যে অভিনয় করলাম তোমাদের মতো হাঃ হাঃ।
69) স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে কথা-৭
স্বামী : সত্যি কথা বলতে কি জান, প্রকৃত মুর্খরাই সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করে।
স্ত্রী : যাক এ্যাদ্দিনে এই প্রথম তুমি আমার রূপের প্রশংসা করলে।
স্বামী : তোমার এখনো রান্না হয় নি ? আমি চললাম, বাইরে খেয়ে নেব।
স্ত্রী : একটু দাঁড়াও, উনুনে জল ঢেলে দিয়ে আসি। আমিও তোমার সঙ্গে যাব
70 ) পরীক্ষা হয়ে যাক
স্ত্রী : ওগো আমি মারা গেলে তুমি কাঁদবে না ?
স্বামী : অবশ্যই।
স্ত্রী : আমার বিশ্বাস হয় না।
স্বামী : বেশ পরীক্ষা হয়ে যাক।
71) পাল্টে এনেছি-
স্ত্রী : ও গো, এটা তো আমাদের বাচ্চা না! কারটা নিয়ে এলে ?
স্বামী : শ্-শ্, চুপ ! আমাদেরটা কালো কুচকুচে ছিল, তাই আসবার সময় পাল্টে এনেছি।
72) মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ
স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।
73) বড় কোনো সমস্যা-
স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।
74) শায়েস্তা করার মোক্ষম সুযোগ-
মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন
স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।
স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!
স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে?
|
এই উদ্যোগটি আপনার ভাল লাগলে প্রচার কার্যে সহযোগিতা করবেন এটুকু প্রার্থনা রইল ।
|
Comments