শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।

কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ

  • শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ, অধ্যায়-১, ( ঋষিদের প্রশ্ন )

    শ্লোক: ৯
    তত্র তত্রাঞ্জসায়ুষ্মন্ ভবতা যদ্বিনিশ্চিতম্ ।
    পুংসামেকান্ততঃ শ্রেয়স্তন্নঃ শংসিতুমর্হসি ॥৯॥

    তত্র – উহার; তত্র— উহার; অঞ্জসা - সহজবোধ্য ; আয়ুষ্মন্ — দীর্ঘ আয়ুসম্পন্ন ; ভবতা – আপনার দ্বারা; যৎ — যা ; বিনিশ্চিতম্ - নিশ্চিতভাবে প্রতিপন্ন হয়েছে; পুংসাম্ —– জনসাধারণের জন্য; একান্ততঃ– সম্পূর্ণরূপে ; শ্রেয়ঃ- পরম মঙ্গল ; তৎ — তাহা ; নঃ — আমাদের ; শংসিতুম্ - বিশ্লেষণ করতে ; অর্হসি — উপযুক্ত ।
  • অনুবাদ : হে আয়ুষ্মন্ ! আপনি জনসাধারণের পরম মঙ্গল কিভাবে সাধিত হয় , তা সহজবোধ্যভাবে আমাদের কাছে শোনান ।
  • তাৎপর্যঃ- ভগবদ্গীতায় আচার্য উপাসনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । আচার্য এবং গোস্বামীরা সর্বদাই জনসাধারণের মঙ্গল চিন্তায় মগ্ন থাকেন , বিশেষ করে তাদের পারমার্থিক মঙ্গলের জন্য । পারমার্থিক মঙ্গল সাধিত হলে পার্থিব হিত আপনা থেকেই সাধিত হয়ে যায় । তাই আচার্যরা জনসাধারণের পারমার্থিক মঙ্গলের নির্দেশ দিয়ে থাকেন । কলিযুগের মানুষদের অধঃপতিত অবস্থা দর্শন করে ঋষিরা সূত গোস্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন সমস্ত শাস্ত্রের সারমর্ম প্রদান করতে , কেন না এই কলিযুগের মানুষেরা সম্পূর্ণভাবে অধঃপতিত । তাই ঋষিরা জনসাধারণের হিত - সাধনের জন্য পরম মঙ্গল সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছিলেন । কলিযুগের মানুষের অধঃপতিত অবস্থা পরবর্তী কয়েকটি শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে ।

    পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।