শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্দ, অধ্যায়-১, ( ঋষিদের প্রশ্ন )
শ্লোক: ৩
নিগমকল্পতরোর্গলিতং ফলং
শুকমুখাদমৃতদ্ৰবসংযুতম্ ।
পিবত ভাগবতং রসমালয়ং
মুহুরহো রসিকা ভুবি ভাবুকাঃ ॥ ৩ ॥
নিগম – বৈদিক শাস্ত্রসমূহ ; কল্প-তরোঃ —– কল্পবৃক্ষ ; গলিতম্ – অত্যন্ত সুপক ; ফলম্ – ফল; শুক — শ্রীমদ্ভাগবতের আদি বক্তা শ্রীল শুকদেব গোস্বামী ; মুখাৎ — মুখ থেকে ; অমৃত — অমৃত ; দ্রব — ঈযৎ কঠিন এবং কোমল হওয়ার ফলে যা সহজে গেলা যায় ; সংযুতম্ — সর্বতোভাবে পূর্ণ , পিবত — আস্বাদন করেন ; ভাগবতম্ —– পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে জীবের নিত্য সম্পর্কের বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ ; রসম্ — রস ( যা আস্বাদন করা যায় ) ; আলয়ম্ – মুক্তি পর্যন্ত , অথবা মুক্ত অবস্থাতে; মুহুঃ — নিরন্তর ; অহো - হে ; রসিকাঃ — যারা সম্পূর্ণরূপে ভগবৎ - প্রীতিরস সম্পর্কে অবগত ; ভুবি — এই পৃথিবীতে ; ভাবুকাঃ – বিচক্ষণ এবং চিন্তাশীল ।
অনুবাদ :
হে বিচক্ষণ এবং চিন্তাশীল মানুষ , কল্পবৃক্ষরূপী বৈদিক শাস্ত্রের অত্যন্ত সুপক্ক ফল শ্রীমদ্ভাগবত আস্বাদন করুন । তা শ্রীল শুরুদেব গোস্বামীর শ্রীমুখ থেকে নিঃসৃত হয়েছিল । তাই এই ফলটি আরও অধিক উপাদেয় হয়েছে , যদিও এই অমৃতময় রস মুক্ত পুরুষেরা পর্যন্ত আস্বাদন করে থাকেন ।
তাৎপর্যঃ-
পূর্ববর্তী দুটি শ্লোকে স্পষ্টভাবে প্রতিপন্ন হয়েছে যে , শ্রীমদ্ভাগবত তার অপ্রাকৃত গুণাবলীর প্রভাবে সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রের মধ্যে সর্বোত্তম । এই গ্রন্থে যে জ্ঞান বিতরণ করা হয়েছে তা সব রকমের জাগতিক কার্যকলাপ এবং পার্থিব জ্ঞানের অতীত । এই শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে যে শ্রীমদ্ভাগবত কেবল উন্নত জ্ঞান - সমন্বিত শাস্ত্রই নয় , তা হচ্ছে সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রের সুপক ফল । পক্ষান্তরে বলা যায় এটি হচ্ছে সমস্ত বৈদিক জ্ঞানের সারাতিসার । এই সমস্ত তথ্য বিবেচনা করে ধৈর্য এবং বিনয় সহকারে তা শ্রবণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন । ঐকান্তিক শ্রদ্ধা এবং একাগ্রতা সহকারে শ্রীমদ্ভাগবতের বাণী শ্রবণ করা উচিত ।
বেদকে কল্পবৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে । কেন না তাতে মানুষের জ্ঞাতব্য সমস্ত জ্ঞান রয়েছে । বেদে পরমার্থ - বিষয়ক জ্ঞান যেমন প্রচার করা হয়েছে , তেমনই জাগতিক প্রয়োজনগুলি সম্বন্ধে তাতে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে । বেদে সামাজিক , রাজনৈতিক , ধর্মীয় , অর্থনৈতিক , সামরিক , চিকিৎসা বিজ্ঞান , রসায়ন , পদার্থবিদ্যা , অধিবিদ্যা ইত্যাদি সব রকম জাগতিক বিষয় - সম্বন্ধীয় বৈধজ্ঞান প্রদত্ত হয়েছে এবং এইগুলি শরীর ও মন নির্বাহ করার জন্য প্রয়োজন হতে পারে । এই সমস্ত বিষয়ের ঊর্ধ্বে অধ্যাত্ম বিষয়ের নির্দেশ রয়েছে । বিধিবদ্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে জীবকে ক্রমান্বয়ে পারমার্থিক স্তরে উন্নীত করা হয় এবং সর্বোচ্চ পারমার্থিক জ্ঞান হচ্ছে সমস্ত দিব্য আনন্দ বা রসের আধার পরমেশ্বর ভগবানকে জানা ।
এই জড় জগতের প্রথম জীব ব্রহ্মা থেকে শুরু করে একটি নগণ্য পিপীলিকা পর্যন্ত সকলেই ইন্দ্রিয়ানুভূতি - প্রসূত অন্য কোন রকম সুখ আস্বাদন করতে চায় । এই সমস্ত ইন্দ্রিয় সুখগুলিকে বলা হয় রস । বিভিন্ন রকমের রস রয়েছে । বৈদিক শাস্ত্রে নিম্নলিখিত বারোটি রসের উল্লেখ করা হয়েছে : ১ ) রৌদ্র , ২ ) অদ্ভুত , ৩ ) হাস্য , ৪ ) বীর , ৫ ) করুণ , ৬ ) বীভৎস , ৭ ) ভয়ানক , ৮ ) শান্ত , ৯ ) দাস্য , ১০ ) সখ্য , ১১ ) বাৎসল্য , এবং ১২ ) মাধুর্য ।
এই সমস্ত রসের সমন্বয়কে বলা হয় প্রেম । প্রেমের মুখ্য লক্ষণগুলি হচ্ছে সম্ভ্রম , সেবা , সখ্য , বাৎসল্য এবং মাধুর্য । এই পাঁচটি রস যখন অনুপস্থিত থাকে , তখন প্রেম পরোক্ষভাবে হাস্য , অদ্ভুত , বীর , রৌদ্র , করুণ , ভয়ানক এবং বীভৎস রসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয় । যেমন , কোন পুরুষ যখন কোন স্ত্রীর প্রতি আসক্ত থাকে , তখন সেই রসকে বলা হয় মাধুর্য রস । কিন্তু পরস্পরের প্রতি তাদের এই আসক্তি যখন ব্যাহত হয় তখন বিস্ময় , ক্রোধ , বীভৎস অথবা ভয়ানক ভাবের উদয় হতে পারে । অনেক সময় স্ত্রী - পুরুষের প্রণয় ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডে পর্যবসিত হতে দেখা যায় । এই সমস্ত রসগুলি মানুষের সঙ্গে মানুষের অথবা পশুর সঙ্গে পশুর মধ্যে দেখা যায় । মানুষের সঙ্গে অন্য কোন জীবের এই ধরনের বিনিময়ের সম্ভাবনা নেই । রসের বিনিময় স্বজাতির মধ্যেই হয়ে থাকে । গুণগতভাবে জীবাত্মা পরমেশ্বর ভগবানের স্বজাতীয় । তাই চিন্ময় স্তরে পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে জীবের রস - বিনিময় পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় ।
তাই শ্রুতি মন্ত্রে ভগবানকে রসো বৈ সঃ অর্থাৎ সমস্ত রসের উৎস বলে বর্ণনা করা হয়েছে । যখন পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে কারও স্বরূপগত রসের বিনিময় হয় । তখনই কেবল যথার্থভাবে আনন্দ আস্বাদন হয় । তখনই কেবল যথার্থভাবে সুখী হওয়া যায় ।
শ্রুতি মন্ত্রে বলা হয়েছে যে প্রতিটি জীবই তার স্বরূপে কোন বিশেষ রসে পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত । মুক্ত অবস্থাতেই কেবল জীবের স্বরূপগত রস পূর্ণরূপে অনুভূত হয় । জড় জগতে যে রস আস্বাদিত হয়ে থাকে তা প্রকৃত রসের বিকৃত প্রতিফলন এবং অনিত্য । জড় জগতে রসের যে প্রকাশ দেখা যায় তা হচ্ছে চিন্ময় রসগুলির জড়জাগতিক রূপ — তা প্রকৃত রস নয় ।
তাই যিনি এই সমস্ত রসগুলির সম্বন্ধে সম্পূর্ণভাবে অবগত হয়েছেন , যা হচ্ছে সমস্ত কার্যকলাপের মৌলিক অনুপ্রেরণা , তিনি বুঝতে পারেন কিভাবে প্রকৃত রসগুলি জড় জগতে বিকৃতভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে । যারা যথার্থ তত্ত্বজ্ঞানী তাঁরা তাঁদের চিন্ময় স্বরূপে যথার্থ রস আস্বাদন করার প্রয়াস করেন । প্রাথমিক স্তরে তাঁরা পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গে এক হয়ে যাওয়ার বাসনা করেন । তাই অল্পবুদ্ধি সম্পন্ন অধ্যাত্মবাদীরা যেহেতু বিভিন্ন রস সম্বন্ধে অজ্ঞ , তাই তারা ব্রহ্মে লীন হয়ে যাওয়ার সাযুজ্য মুক্তির ঊর্ধ্বে অগ্রসর হতে পারেন না ।
এই শ্লোকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত হয়েছে যে শ্রীমদ্ভাগবত যেহেতু বৈদিক জ্ঞানের সুপক্ক ফল , তাই তা মুক্ত অবস্থাতেই আস্বাদন করা যায় । শ্রদ্ধাযুক্ত চিত্তে এই অপ্রাকৃত শাস্ত্ৰ শ্রবণ করার ফলে হৃদয় ভরে এই পূর্ণ আনন্দ আস্বাদন করা যায় । তবে যথার্থ বক্তার কাছ থেকে এই বাণী শ্রবণ করতে হবে — যার - তার কাছ থেকে শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ করলে চলবে না । যথার্থ গুরুপরম্পরার ধারায় এই জ্ঞান আহরণ করতে হয় । চিন্ময় জগৎ থেকে এই জ্ঞান নিয়ে আসেন নারদ মুনি এবং তিনি তাঁর শিষ্য ব্যাসদেবকে তা দান করেন । ব্যাসদেব তা তাঁর পুত্র শুকদেব গোস্বামীকে দান করেন , এবং শুকদেব গোস্বামী মহারাজ পরীক্ষিতের মৃত্যুর সাতদিন পূর্বে তাকে এই জ্ঞান দান করেছিলেন । শুকদেব গোস্বামী তার জন্মের পূর্বে থেকেই মুক্ত পুরুষ ছিলেন । তিনি যখন তার মাতৃগর্ভে ছিলেন তখনই তিনি মুক্ত ছিলেন , এবং তাঁর জন্মের পর তাকে কোন রকম পারমার্থিক শিক্ষালাভের সংস্কার করতে হয় নি । জন্মের সময় , তা সে জড়জাগতিক বিচার শক্তি হোক অথবা পারমার্থিক বিচার শক্তি হোক্ , জীবের যথার্থ যোগ্যতা থাকে না । কিন্তু শ্রীল শুকদেব গোস্বামী যেহেতু সম্পূর্ণরূপে মুক্ত পুরুষ ছিলেন , তাই তাকে ক্রমান্বয়ে পারমার্থিক তত্ত্বজ্ঞান লাভ করতে হয় নি । কিন্তু তিনি জড় জগতের তিনটি গুণের অতীত এবং মুক্ত অবস্থায় অধিষ্ঠিত হলেও , তিনি মুক্ত পুরুষদের দ্বারা বৈদিক গ্লোকে বন্দিত পরমেশ্বর ভগবানের অপ্রাকৃত রসের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন । পরমেশ্বর ভগবানের লীলাবিলাস বদ্ধ জীবদের থেকে মুক্ত পুরুষদের আরও বেশি করে আকৃষ্ট করে । সেই পরমেশ্বর ভগবান অবশ্য নির্বিশেষ বা নিরাকার নন , কেন না রস আস্বাদন করা কেবল সবিশেষ পুরুষের পক্ষেই সম্ভব ।
শ্রীমদ্ভাগবতে পরমেশ্বর ভগবানের অপ্রাকৃত লীলাবিলাসের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে , এবং শ্রীল শুকদেব গোস্বামী তা অত্যন্ত সুসংবদ্ধভাবে বর্ণনা করেছেন । এইভাবে সেই বিষয়টি সকলকেই আকৃষ্ট করে , এমন কি ব্রহ্ম - জ্যোতিতে লীন হয়ে যাওয়ার প্রয়াসী মুমুক্ষুদেরও তা আকৃষ্ট করে ।
সংস্কৃত ভাষায় টিয়া পাখিকে বলা হয় শুক । এই শুক পক্ষী যখন তার রক্তিম চঞ্চু দিয়ে কোন পক্ক ফলের স্বাদ গ্রহণ করে , তখন সেই ফল আরও মধুর হয়ে ওঠে । বৈদিক কল্পবৃক্ষের এই সুপক ফল তেমনই শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর শ্রীমুখ থেকে নিঃসৃত হয়েছে বলে আরও মধুর হয়ে উঠেছে । শুকদেব গোস্বামী তাঁর পিতৃদেবের কাছ থেকে প্রাপ্ত শ্রীমদ্ভাগবত যথাযথভাবে আবৃত্তি করতে পারেন বলে তাঁকে শুক পক্ষীর সঙ্গে তুলনা করা হয় নি , সমস্ত শ্রেণীর মানুষের উপযুক্ত করে তা প্রদান করার যোগ্যতার জন্যই তাকে শুক পক্ষীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে ।
শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর শ্রীমুখ থেকে এই বিষয়টি এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে যে , যে কোনও নিষ্ঠাবান শ্রোতা যদি শ্রদ্ধাযুক্ত চিত্তে তা শ্রবণ করেন , তা হলে তিনি তৎক্ষণাৎ সেই অপ্রাকৃত রস আস্বাদন করতে পারেন , যা হচ্ছে জড়জাগতিক রস থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন । এই সুপক ফলটি অপ্রাকৃত জগতের সর্বোচ্চ লোক কৃষ্ণলোক থেকে হঠাৎ পতিত হয় নি । পক্ষান্তরে , তা অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে গুরু - শিষ্য - পরম্পরার মাধ্যমে সম্পূর্ণ অবিকৃতভাবে এবং অক্ষতভাবে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে । যে সমস্ত মূর্খ মানুষ পারমার্থিক পরম্পরার অন্তর্ভুক্ত নয় , তারা শ্রীল শুরুদেব গোস্বামীর পদাঙ্ক অনুসরণ না করে পারমার্থিক জগতে সর্বোচ্চ রস রাসলীলার তত্ত্ব বোঝার চেষ্টা করে মহাবিপর্যয়ের সৃষ্টি করে । শ্রীল শুকদেব গোস্বামী অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে স্তরে স্তরে এই পারমার্থিক তত্ত্ব উন্মোচন করেছেন । তাই যথার্থ বুদ্ধিমান মানুষের কর্তব্য হচ্ছে শুকদেব গোস্বামী যে সতর্কতার সঙ্গে এই বিষয়টি প্রকাশ করেছেন সে কথা বিবেচনা করে শ্রীমদ্ভাগবতের মহিমা হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করা । ভাগবত - সম্প্রদায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে , ভবিষ্যতেও শ্রীমদ্ভাগবতের তত্ত্ব সম্বন্ধে শিক্ষালাভ করতে হবে শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর উপযুক্ত প্রতিনিধির কাছ থেকে । যে সমস্ত মানুষ অর্থ উপার্জন করার জন্য শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করে , তারা কখনই শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর প্রতিনিধি নয় । এই ধরনের মানুষের কাজ হচ্ছে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করা । তাই এই ধরনের পেশাদারি ভাগবত পাঠকদের ভাগবত পাঠ কখনই শোনা উচিত নয় । এই ধরনের মানুষেরা সাধারণত শ্রীমদ্ভাগবতের বিষয়বস্তুর গুরুত্ব স্তরে স্তরে হৃদয়ঙ্গম না করে সরাসরি শ্রীমদ্ভাগবতের সবচাইতে গোপনীয় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করে । তারা সাধারণত সরাসরিভাবে ভগবানের রাসলীলা নিয়ে আলোচনা করে , যার পারমার্থিক তত্ত্ব মূর্খ লোকেরা বুঝতে পারে না । কিছু কিছু মানুষ ভগবানের এই লীলা - বিলাসকে অশ্লীল বলে মনে করে , আর কিছু লোক তাদের মূর্খ ভাষ্যের দ্বারা তা ঢাকবার চেষ্টা করে । শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর পদাঙ্ক অনুসরণ করার কোন রকম বাসনাই তাদের নেই ।
তাই রস সম্বন্ধে যারা জানতে ঐকান্তিকভাবে আগ্রহী , তাদের শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর ধারায় গুরু - পরম্পরার মাধ্যমে শ্রীমদ্ভাগবতের বাণী গ্রহণ করতে হবে , কেন না শ্রীল শুকদেব গোস্বামীই হচ্ছেন শ্রীমদ্ভাগবতের আদি বক্তা এবং তিনি পারমার্থিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে অনভিজ্ঞ কতকগুলি বিষয়ী মানুষের মনোরঞ্জন করার জন্য তাঁর মনগড়া কতকগুলি কথা বলেননি । শ্রীমদ্ভাগবত এত সাবধানতার সঙ্গে প্রদান করা হয়েছে যে , ঐকান্তিক এবং নিষ্ঠাবান শ্রোতা শ্রীল শুকদেব গোস্বামী অথবা তার আদর্শ প্রতিনিধির শ্রীমুখ থেকে এই অমৃতময় রস পান করার ফলে তৎক্ষণাৎ বৈদিক জ্ঞানের সুপক্ক ফল আস্বাদন করতে পারেন ।
পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা ১৮শ অধ্যায় মোক্ষযোগ
শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম্
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
0183 45 45 989
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "