শ্রীমৎ আচার্য বিবেকানন্দ গোস্বামী

এম.এ.(ট্রিপল), সপ্ততীর্থ, বি.সি.এস (শিক্ষা) প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক (দর্শন) বরগুনা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ । প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ সেবাশ্রম। -এর স্বহস্তে লিখিত গ্রন্থ
মৃত্যু হতে অমৃতলোকে
Krishna vs Arjun @ Gita



Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989









  • Gurudeb Photo Gurudeb Photo

  •  সূতিকা রোগ হবার কারণ .. 

        সূতিকা রোগ একবার হলে আর সহজে যেতে চায় না। অনেকেই আজকাল প্রসবের পরই প্রসূতিকে ব্রান্ডি খাওয়ায়ে থাকেন। ব্রান্ডিতে শরীর একটু গরম করে সত্য কিন্তু শরীরের রস টানার শক্তি ব্রান্ডিতে নাই। বরঞ্চ ব্রান্ডি খাওয়ার দরুন অনেক ক্ষেত্রে নাড়ীতে ক্ষত হয়ে থাকে। তার চেয়ে অল্প মাত্রায় ২/১ দিন একটু একটু আফিং খাইতে দিলে ভাল হয়। প্রসূতির প্রসবের পর একটা বেদনা হয় তাকে ভেদাল ব্যাথা বলে, আফিং খাওয়ালে সেই বেদনারও বিশেষ উপশম হয়ে থাকে।
       আমরা ইংরেজদের সাথে তুলনা করতে যাই কিন্তু তাদের শীত প্রধান দেশে যে বিধি উপকারী আমাদের গরম দেশে তা উপযুক্ত নয়। বিশেষতঃ তার যেরূপভাবে থাকে, চলাফেরা ও আহারাদি করে ও স্বাস্থ্যের জন্য যেরূপ যত্ন নেয়-ভারতে কয়টি লোক আছে সেরূপভাবে খেতে ও থাকতে পারে? অতএব এদেশের ব্যবস্থাই আমাদের উপকারী।

     সুপুত্র লাভের উপায়  

    রমণীগণের ঋতুর পর ষোড়শ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণযোগ্য ক্ষমতা থাকে, ইহাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সুসন্তানকামী ও সুস্থ শরীরাভিলাষী ব্যক্তি ঋতুর ১ম চার দিবস ১১শ ও ১৩শ দিবশ একবারেই বর্জন করবে। এই ৬দিন বাদে বাকি ১০ দিনের মধ্যে উত্তরোত্তর যত বেশী দিন গত করে গর্ভধারন করবে সন্তান ততই ভাল হবে। অর্থাৎ বলবান, ধনবান, সৌভাগ্যশালী ও আয়ুষ্মান হবে।
    রাত্রির ১ম প্রহরে গর্ভধারন হলে সেই গর্ভস্থ সন্তান অল্পায়ু হয়ে থাকে।
    রাত্রির ২য় প্রহরে গর্ভধারন হলে সেই পুত্র দরিদ্র ও কন্যা দুঃর্ভাগিনী হয়।
    রাত্রির ৩য় প্রহরে গর্ভধারন হলে সেই কুমতিবিশিষ্ট ও পরকিংকর হয়ে জীবন যাপন করে কন্যা দুষ্ট ও পতিঘাতিনী হয় এবং বার্দ্ধক্যে পরকিংকরী হয়ে দারুন দারিদ্রতা ভোগ করে।
    কেবল ৪র্থ প্রহরে গর্ভাধান করলে পুত্র বা কন্যা সর্ববিষয়ে ভাল হয়। কিন্তু ৪র্থ প্রহর বলে ভোর বেলা বা শেষ রাত্রে কেহ গর্ভধারন করবে না। বলে ভোর বেলা বা শেষ রাত্রে কেহ গর্ভধারন করবে না। ৩য় প্রহর অতীত হলে ৪র্থ প্রহরের প্রারম্ভে গর্ভধারন করতে হবে। এছাড়া পঞ্চভাবে গর্ভধারন নিষিদ্ধ। যেমন-অমাবস্যা, পূর্ণিমা, চতুর্দ্দশী, অষ্টমী ও সংক্রান্তি। কেননা পঞ্চপর্ব দিনে পুরুষ ও স্ত্রীজাতীয় শুক্রু ও শোনিত দূষিত হয়ে থাকে পরন্তু স্ত্রীসংসর্গ করলে শরীর নীরোগ ও দীর্ঘজীবি হয় না।
    (৯)

    পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা - পরবর্তী পৃষ্ঠা -


    জয় রাধে শ্যাম

  • সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-

    সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

    শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.