মহানাম বিতরণের নামে অনেক ব্যবসায়িক সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে, তাদের নাম বিতরণের যে ধরন, ধারা, বা পদ্ধতি বর্তমানে প্রচলিত তা সংশোধন হওয়ার সময় কি এখনও আসেনি?
(যেমন- স্টেজে উঠেই ৩০-৪০ মিনিট মাত্রারিক্ত খোল-করতালের শব্দযুক্ত বন্দনা, তারপর ঘণ্টা খানেক রাগ-রাগিনীর দুর্বোধ্য নাম পরিবেশন এবং শেষে বাঁশি বা বেহালায় বিভিন্ন হিন্দি-বাংলা ছবির গানের সুর
তোলার প্রতিযোগিতা- সাথে কখনও কখনও অদ্ভুত সব নৃত্য !) যে সমস্ত ভক্তগণ নাম শ্রবণে যান তাঁরা সেখান থেকে কতটুকু ভক্তি বা পুণ্য অর্জনে সমর্থ
হন বলে আপনারা মনে করেন ? শ্রীমন্ মহাপ্রভু কি এই মহানাম এভাবে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছিলেন?
যাহোক, এব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত অভিমত-
১। নাম পরিবেশন হবে শ্রুতিমধুর, সহজবোধ্য এবং অংশগ্রহণমূলক। (যাঁরা নাম পরিবেশন করবেন তাঁরা এবং সমবেত ভক্তগণের সমন্বয়ে।) কীভাবে ? যারা নাম পরিবেশন করবেন তাঁদের দলের মধ্যে দুইটা ভাগ থাকবে, যার একভাগ একটা
সহজ সুরে নাম ধরবেন এবং ছাড়ার পর অপর একভাগ সেই একই সুরে নাম ধরবেন সমবেত ভক্তগণের সাথে। এভাবে সকলে মিলেই নাম পরিবেশন এবং আস্বাদন করবেন।
২। একটা সম্প্রদায়ের গানের সময়সীমা প্রয়োজনে ২ ঘণ্টার পরিবর্তে ১ ঘণ্টা বা দেড় ঘণ্টা করা হোক।
৩। বাদ্যযন্ত্রের শব্দ যেন মহানাম শ্রবণে বিঘ্ন সৃষ্টি নাকরে ; বাদ্যযন্ত্র হবে মহানাম পরিবেশনের সহায়ক।
৪। যেসমস্ত সম্প্রদায় ব্যবসায়িক মনোভাব নিয়ে দল গঠন এবং নাম বিতরণ করেন তাদের বিপরীতে কিছু করা যায় কি-না?
কথাগুলোর সাথে একমত অথবা আপনার কোন মত থাকলে জানান। আর যারা একমত পোষণ করেন তাঁদের কাছে অনুরোধ লেখাটি কপি করে, শেয়ার করে অথবা যেভাবে হোক- মহাপ্রভুর মহানাম সঠিকভাবে প্রচারে সকলকে
অনুরোধ করবেন।