শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।

কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ

  • শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ, অধ্যায়-১, ( ভগবদ- উপলব্ধির প্রথম স্তর )

    শ্লোক: ৯:
    পরিনিষ্ঠিতোঽপিনৈর্গুণ্য উত্তম শ্লোকলীলয়া ।
    গৃহীতচেতা রাজর্যে আখ্যানং যদধীতবান্ ॥৯ ॥

  • অনুবাদ : হে রাজর্ষি ! আমি নিৰ্গুণ ব্রহ্মে বিশেষভাবে মগ্ন থাকলেও উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানের লীলার দ্বারা আমার চিত্ত আকৃষ্ট হওয়াতে এই আখ্যান অধ্যয়ন করেছি ।
  • তাৎপর্যঃ- প্রথমে মনোধর্ম - প্রসূত দার্শনিক জ্ঞানের মাধ্যমে নির্বিশেষ ব্রহ্মরূপে পরম সত্যকে উপলব্ধ হয় , এবং পরে অপ্রাকৃত জ্ঞানের উন্নতি সাধনের ফলে তাকে পরমাত্মা রূপে জানা যায় । কিন্তু যদি ভগবানের কৃপায় নির্বিশেষবাদী শ্রীমদ্ভাগবতের উত্তম জ্ঞানের আলোকে উদ্ভাসিত হন , তখন তিনি পরমেশ্বর ভগবানের ভক্তে পরিণত হন । সীমিত জ্ঞানের দ্বারা আমরা পরম তত্ত্বকে একজন ব্যক্তিরূপে ধারণা করতে পারি না , এবং মূর্খ নির্বিশেষবাদীরা ভগবানের অপ্রাকৃত লীলার চিন্ময়ত্ব অস্বীকার করে অপরাধ করে । কিন্তু যুক্তি এবং তর্ক উভয়ই পরম তৃত্ত্বের সমীপবর্তী হওয়ায় চিন্ময় পন্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে গোড়া নির্বিশেষবাদীদেরও পরমেশ্বর ভগবানের লীলার প্রতি আকর্ষণ করে । শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর মতো ব্যক্তি কখনো কোন জড় কার্যকলাপের দ্বারা আকৃষ্ট হতে পারেন না , কিন্তু এই প্রকার একজন পরমার্থবাদী যখন উন্নত প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত হন , তখন স্বাভাবিকভাবে ভগবানের অপ্রাকৃত লীলার প্রতি আকৃষ্ট হন । ভগবান চিন্ময় এবং তার লীলাও চিন্ময় । তিনি নিষ্ক্রিয় নন অথবা নির্বিশেষ নন ।

    পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।