শ্রীমৎ আচার্য বিবেকানন্দ গোস্বামী

এম.এ.(ট্রিপল), সপ্ততীর্থ, বি.সি.এস (শিক্ষা) প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক (দর্শন) বরগুনা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ । প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ সেবাশ্রম। -এর স্বহস্তে লিখিত গ্রন্থ
মৃত্যু হতে অমৃতলোকে
Krishna vs Arjun @ Gita



Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989









  • Gurudeb Photo Gurudeb Photo

  •   ভাববার বিষয়   (3)

          . বুদ্ধিসম্মত। এ নজীর দেখায়ে অনেকে মুষ্টিভিক্ষা পর্যন্ত বন্ধ করে বাজে খরচ হতে নিস্কৃতি পেয়েছেন। কিন্তু আধুনিক বিবেকবাদীগণ নিজের নির্বুদ্ধিতাবশতঃ তপপরায়ন ঋষি প্রণীত শাস্ত্র অবিশ্বাস করে প্রত্যবায় ভাগী হচ্ছেন। প্রকৃত তত্ত্ব অবগত হতে হলে শাস্ত্রের আশ্রয় এবং শাস্ত্রবাক্য বিশ্বাস ব্যতীত অন্য গতি নাই। যারা ধর্ম কর্ম্ম স্বেচ্ছাচার মত পোষণে প্রয়াসী এবং শাস্ত্রবাক্যে অবিশ্বাসী যারা শাস্ত্রবাক্য উপেক্ষা করে চঞ্চল বুদ্ধি কর্তৃক চালিত হয়ে কর্ম্মানুষ্ঠান করে, তারা ইহলোকে সুখ ও পরলোকে উত্তমগতি প্রাপ্ত হয় না। এই বিষয়ে গীতায় ভগবান বলেছেন-
    যঃ শাস্ত্রবিধিমুৎসৃজ্য ..................... গতিম্। ১৬ অধ্যায়
           যে শাস্ত্রবিধি পরিত্যাগপূর্বক স্বেচ্ছাচারী হয়ে কার্য করে তার চিত্তশুদ্ধি হয় না; তার ইহলোকে সুখ ও পরলোকে উত্তমগতি লাভ হয় না- অর্থাৎ তার উহকালও নাই পরকালও নাই।
           অতএব যারা নিজের স্বেচ্ছাচারী ধর্মমতের অসার ভিত্তি অবলম্বন করে শাস্ত্র অবহেলা করে দান করতে পরাঙ্মুখ তাদের ভগবানের এই মহাবাক্য সর্বদা স্মরণ রাখা কর্তব্য। দয়াতেই ধর্মের অবস্থিতি। লোকের কষ্ট ও দুর্দ্দশা দেখে যদি তোমার মনে দয়ার উদয় না হয় এবং দান ও সাহায্য করতে প্রবৃত্তি না হয়; তবে তোমার ধর্ম কোথায়? যার দয়া নাই, তার ধর্মও নাই। মনুষ্যের মন বুদ্ধি প্রভৃতি অন্তঃকরণ সত্ত্বঃ রজঃ; তম এই তিন গুণের দ্বারা গঠিত। সুতরাং তার কার্য্যাকার্য্য বিচারের শক্তি কোথায়? জীবের বুদ্ধি নিজের সংস্কারানুরূপ গঠিত, একারণ সর্বসংস্কার বর্জিত তত্ত্বজ্ঞান ঋষিগণের প্রণীত শাস্ত্রানুসারে অন্ধ, খোঁড়া, দীন, দুঃখী ও তপস্বীদিগকে দান করা কর্তব্য। যে ব্যক্তি পাপের ফলে দন্ডভোগ করছে, সে ত কর্মানুরূপ ফলভোগ করবেই, সে তেমনি ফলভোগ করবে- একথা পড়েই আছে, তুমি অপরের দোষগুণ কর্মাকর্ম বিচার না করে তোমার কর্তব্য তুমি কর। দান গৃহস্থাশ্রমের একটি প্রধান ধর্ম, তখন তোমার অবস্থানুরূপ দান করে ধর্মানুষ্ঠান কর-
    তস্মচ্ছাস্ত্রং প্রমাণং তে কার্যাকার্য .................. কর্তুমিহার্হসি ।।
           কার্য্যাকার্য্য নিরূপণে শাস্ত্রই তোমার প্রমাণ। অতএব শাস্ত্রানুসারে নিজের অধিকার মত শাস্ত্রীয় ব্যবস্থা জ্ঞাত হয়ে কর্তব্য কর্মে রত হও। যুগ বিশেষ লোকে মতিত্ত দেহানুরূপ ধর্ম্ম ও কর্ম্ম নির্দিষ্ট হয়েছে এবং সকল শাস্ত্র এক বাক্যে বলিতেছে কলিকালে দান একমাত্র ধর্ম।
     (১৫)
    বৃহস্পতি বলেছেন-
    তপোধর্মঃ কৃতে যুগে জ্ঞান ত্রেতাযুগে স্মৃতং,
    দ্বাপরে চর্বরাঃ প্রোক্তাঃ কলৌদানং দয়াদমঃ।

    পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা - পরবর্তী পৃষ্ঠা -


    জয় রাধে শ্যাম

  • সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-

    * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।