স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

স্বপ্নপুরী বিনির্মাণের কাজ চলছে
সকলের অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ জরুরী ।


*
Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri Road

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

Sopnopuri_images

পূর্বোল্লিখিত বিবরণের পর -

আমাদের দেশের সকলেই এই নীতি অনুসরণ করে চলে এবং যেকোন ধরণের বিপদ-আপদ তাঁরা এভাবেই অর্থাৎ সম্মিলিতভাবেই মোকাবেলা করে থাকে। ভেবে দেখ, কোন ব্যক্তি যদি বিপদে পড়ে এবং সকলেই যদি যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁকে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়- তবে খুব সহজেই সে বিপদ থেকে ঐ ব্যক্তি উদ্ধার পেতে পারে। এক্ষেত্রে অন্যদের অল্প সাহায্যে তাঁর বড় বিপদ থেকে সে রক্ষা পাচ্ছে। কিন্তু সে যদি এককভাবে তাঁর বিপদ মোকাবেলা করার চেষ্টা করে, তবে তার পক্ষে সেটি অনেক কঠিন হবে, এমনকি অসম্ভবও হতে পারে। তাই যেকোন বিপদ-আপদকেই আমরা প্রতিপক্ষ মনে করি এবং খুব সহজেই সম্মিলিতভাবে তাকে পরাস্ত করে থাকি।


তাছাড়া আমাদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিও সরকারের বিশেষ যত্ন আছে। কেননা এই যোগাযোগ ব্যবস্থার যথাযথ উন্নয়নের মাধ্যমেই সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে। আমাদের দেশে অবশ্য এব্যাপারে ইতোমধ্যে একটা মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে সমগ্র দেশের সুষম শিল্পোন্নয়ন তথা জনসংখ্যার সমবন্টনের লক্ষ্যে অঞ্চলভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে; পাশাপাশি জনসংখ্যারও একেবারে সমবন্টন নাহলেও অন্ততঃপক্ষে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তাছাড়া সরকারের বিশেষ তদারকি এবং পরিকল্পনা আছে যার মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যও খুব সহজে দেশের বিভিন্ন যায়গায় পৌঁছান সম্ভব হয়। এর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়।

*- হ্যাঁ বন্ধু তুমি ঠিকই বলেছ। আমাদের দেশেতো এটা একটা বড় সমস্যা। প্রান্তিক কৃষকেরা অনেক পরিশ্রম করে পণ্য উৎপাদন করে ঠিক; কিন্তু তার সুফলটা তাঁরা ভোগ করতে পারেনা- মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের (আড়ৎদার/পাইকারী ব্যবসায়ী) দৌরাত্বের কারণে। সর্বশেষ ভোক্তাদেরও পণ্যটি কয়েকগুন বেশি মূল্য দিয়েই কিনতে হয় বটে, কিন্তু এই অতিরিক্ত মুনাফাটা ভোগ করে মধ্যস্বত্ত্বভোগী (আড়ৎদার, পাইকারী ব্যবসায়ী) যারা এব্যাপারে তেমন পরিশ্রমই করে না। এটা সম্ভব হয় শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, সরকারের বিশেষ তদারকি এবং সুষ্ঠু-সুনির্দিস্ট পরিকল্পনার অভাবেই।

তবে আমাদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যে খুব খারাপ তেমনটি না। বা নতুন রাস্তাঘাট নির্মাণ বা মেরামত করা হয়না তাও কিন্তু না। তবে সমস্যাটা হল এত এত রাস্তাঘাট ফ্লাইওভার থাকা সত্ত্বেও গ্রামের সাথে শহরের সম্পর্ক যেন বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে উঠেছে; কারণ যানজট। এই যানজট যেন কোনভাবেই কমানো যাচ্ছে না। এতে করে আমাদের দৈনিক প্রচুর শ্রমঘন্টা যেমন নষ্ট হচ্ছে; তেমনি হাজার হাজার কোটি টাকার জ্বালানী নষ্ট হচ্ছে রাস্তাঘাটে। তাছাড়া রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ বা মেরামতের অল্প সময়ের মধ্যেই কেন-জানিনা নষ্ট হতে শুরু করে। এক্ষেত্রে নির্মাণ ব্যয় যে কম করা হয় তাও কিন্তু না; তবে অভিযোগ শোনা যায়-


এক্ষেত্রে নাকি যথাযথ নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয় না। এককথায় দরপত্র প্রদান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন প্রকার অনিয়মের কথা শোনা যায়। আচ্ছা বন্ধু তোমাদের দেশে কি এমনটি হয়?

** দেখ যানজটের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বাধ্যবাধকতা আছে- যার কারণে আমরা খুব বেশি ভোগান্তির শিকার হই না।


যেমন- প্রথম কথা হলো (সাধারণ থেকে ভি.ভি.আই.পি) সকলকে আন্তরিকতার সাথে ট্রাফিক আইন পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে। তাহলেই সমস্যার অধিকাংশ সমাধান হয়ে যাবে। এছাড়াও বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী পদক্ষেপ আছে যেমন- বিভিন্ন ধরণের যানবাহনের চলাচলের সময়ের একটা বাধ্যবাধকতা আছে, একপ্রকার রুটিন অনুসরণ করতে হয়; আবার রুটের একটা বাধ্যবাধকতা আছে। (অবশ্য বিশেষ ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষে ব্যতিক্রমও আছে)। উদাহরণস্বরূপ- সন্ধ্যা ৭.০০টা এর পূর্বে সপ্তাহের নির্দিস্ট ছুটির দিন ব্যতীত সকল প্রকার প্রাইভেট কার অর্থাৎ ব্যক্তিগত গাড়ী ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক নির্ধারিত নির্দিস্ট সড়কে প্রবেশ করতে পারবে না। (অবশ্য এক্ষেত্রে ভিভিআইপি তালিকাভুক্ত ব্যক্তিগণের গাড়ী আওতামুক্ত)।

পরবর্তী বিবরণ

সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন

Say something

Please enter name.
Please enter valid email adress.
Please enter your comment.