Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images Sopnopuri_images

স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

স্বপ্নপুরী বিনির্মাণের কাজ চলছে ...
সকলের পরামর্শ চাই . . .


পূর্বোল্লিখিত বিবরণের পর -

যেমন প্রথমতঃ আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা- তোমাদের দেশের মত এমনটা নয়। তবে একটা সময় এমনটাই ছিল। তখন শিক্ষাজীবনের সর্বোচ্চ ধাপ শেষ করতে যেয়ে এবং কর্মসংস্থান বা চাকুরী অর্থাৎ নিজের পায়ে দাঁড়ানো বলতে যা বুঝায়, অতঃপর সংসার জীবন শুরু করতে যেয়ে- একজন ছাত্রের জীবন থেকে অনেকটা সোনালী সময় অতীত হয়ে যেত। পরবর্তীতে সংসার সাজানো, সন্তান-সন্ততি লালন পালন ও তাদেরকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো অর্থাৎ প্রতিষ্ঠিত রেখে যাওয়ার জন্য তেমন যথেস্ট সহযোগিতা করার সামর্থ তাঁর থাকত না। কখনও বা সন্তান-সন্ততির শিক্ষাজীবন শেষ না হতেই পিতা-মাতার বিয়োগ ঘটার কারণে উক্ত সন্তানেরা এক সীমাহীন দুর্ভোগে নিমজ্জিত হয়ে পড়ত। এতকিছু দেখে আমাদের দেশের বিজ্ঞজনেরা শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপারে বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। যেমন-

১. সকলের জন্য একই কারিকুলামে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা করা। এক্ষেত্রে ছয় বৎসর বয়সেই প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে বিভিন্ন খেলাধুলা ও সংগীত চর্চার বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত করা। এবং এই সময়ের (অর্থাৎ তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী) মধ্য থেকেই কোন্ ছাত্রের কোন্ কোন্ বিষয়ের উপর বেশি আগ্রহ তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়; সেটা হতে পারে বিশেষ কোন খেলাধুলা, সংগীত চর্চা, বা বিশেষ কোন বিষয়ের উপর। অবশেষে তাকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সেই সেই বিশেষ বিষয়ের উপর পড়ার বা চর্চা করার ব্যবস্থা করা (অবশ্য আবশ্যিক কয়েকটা বিষয় এই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই থাকে)।

২. একাদশ থেকে শুরু হয় তাঁর পেশাগত শিক্ষা বা কারিগরি শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা অর্থাৎ সে যেটাকে পেশা হিসাবে বেছে নিতে আগ্রহী সেই সংক্রান্ত পড়া। এক্ষেত্রে একটা কথা বলে রাখি- আমাদের সমাজে চারিদিকে যা কিছু নজরে আসে তার প্রতিটি কর্মই উদাহরণস্বরূপ চুল ছাটাই থেকে শুরু করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল প্রভৃতি- এই কারিগরি শিক্ষা বা পেশাগত শিক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্গত। এটা সমাপ্ত করার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচটি ধাপ আছে অর্থাৎ কোন কোনটা এক বা দুই ধাপেই সমাপ্ত। প্রতি দুই বছরে এক একটা ধাপ; এবং প্রতিটা ধাপে একটা করে সার্টিফিকেট দেয়া হয় যেটা ব্যবহার করে সে সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থান বা চাকুরীতে যোগদান করতে পারে। এতে দেখা যায় যে, কেউ চাইলে ১৮ বছর বয়স থেকেই কর্মজীবন শুরু করার সুযোগ পেয়ে থাকে, এবং পরবর্তীতে হাতে কলমে পেশাগত প্রশিক্ষণ নিয়ে আরও দক্ষ হয়ে তাঁর কর্মক্ষেত্রে সেটি প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর যাতে সে পরবর্তী ধাপের পড়াগুলো অর্থাৎ পেশাগত হাতে কলমে অবশিষ্ট প্রশিক্ষণগুলো সমাপ্ত করতে পারে সে ব্যাপারে উক্ত প্রতিষ্ঠান তাকে সহযোগিতা করে থাকে। তবে কেউ চাইলে সবগুলো ধাপ সমাপ্ত করেই কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে পেশাগত সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন বা একটা নির্দিস্ট ধাপ অতিক্রম করার পরেই কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয় যেমন- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ইত্যাদি -এটা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কমিশন নির্ধারন করে থাকেন। এছাড়াও আরও উচ্চ শিক্ষা নেয়ার জন্য তাকে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান থেকে বা বিদেশী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর ডিগ্রী নিতে হয়।

পরবর্তী বিবরণ

Sopnopuri_images Sopnopuri Road Sopnopuri Road Sopnopuri Road

সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন