বাংলা সুনির্বাচিত কৌতুক Bangla Selected Jokes

হাসলে নাকি আয়ু বাড়ে- তাই হাসুন, মন খুলে হাসুন, কারণ হাসলে হার্ট / হৃদয় / মন ভালো থাকে => শরীরও ভালো থাকে । আর মন ভালো- তো সবই ভালো।

*

1) স্ত্রীর পত্র প্রবাসী স্বামীর নিকট

এক স্বল্পশিক্ষিত ভদ্রমহিলা তার প্রবাসী স্বামীকে চিঠি লিখছেন বিরাম চিহ্নের ব্যবহার ছাড়াই। পরে কী ভেবে কিছুদূর পর পর বিরাম চিহ্ন (দাড়ি) দিয়ে চিঠিটি সমাপ্ত করলেন কীভাবে দেখুন।

ওগো-
সারাজীবন শুধু বিদেশেই কাটালে এইছিল । তোমার কপালে আমার পা । আরো ফুলে উঠেছে উঠানটা । জলে ডুবে গেছে ছোট খোকা । স্কুলে যেতে চায় না বুড়ো গরুটা । রোজ আধসের দুধ দেয় বড় বৌ । রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে ফেলেছে তোমার বাবা । দাঁড়ি কাটতে গিয়ে গাল কেটে ফেলেছে করিমের মা । কাল থেকে আর আসবে না । ছুটিতে বাড়ি আসবে না । আসলে দুঃখ পাবো । ইতি তোমার বৌ-
বলুনতো আসলে ভদ্রমহিলা চিঠিতে কি বুঝাতে চেয়েছিলেন?



2) বিয়ে করার কথা ভাবছে!

স্বামী: ও গো শুনছ, একটু পর আমার একজন বন্ধু আসবে।
স্ত্রী: গাধা, বোকার হদ্দ কোথাকার, করেছ কী? দেখো না ঘরের কী অবস্থা? ভাঙা ফুলদানি, কাচের প্লেট, ঝাড়ু ঘরজুড়ে সব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।
স্বামী: এই জন্যই তো ওকে আসতে বলেছি। গর্দভটা বিয়ে করার কথা ভাবছে!


3) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া চলছে। এমনকি ঝগড়া গড়িয়েছে হাতাহাতি পর্যন্ত !
এক পর্যায়ে খাটের নিচে আশ্রয় নিল স্বামী বেচারা। স্ত্রী খাটের নিচে উঁকি দিয়ে বলল, ‘বেরিয়ে এসো। বেরিয়ে এসো বলছি!’
উত্তরে মিনমিন করে বলল স্বামী, ‘আমি কি তোমাকে ভয় পাই ভেবেছ? তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি, আমি কিন্তু যা বলি তাই করি।’
স্ত্রী: কী বলতে চাও তুমি? কী করবে শুনি?

স্বামী: খাটের নিচ থেকে বের হব না বলেছি, কিছুতেই বের হব না!


4) শুরু হওয়ার আগে

বাড়ি ফিরেই স্বামী বললেন, ‘কইগো, শুরু হওয়ার আগে আমাকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি খাওয়াও’।
স্ত্রী পানি দিলেন।
খানিক বাদে স্বামী বললেন, ‘কইগো, শুরু হওয়ার আগে ভাতটাও দিয়ে দাও।’ স্ত্রী ভাতও দিলেন।
ভাত খেয়ে নিয়ে স্বামী বললেন, ‘শুরু হওয়ার আগে এক কাপ চা খাওয়াও তো…’
এবার চেঁচিয়ে উঠলেন স্ত্রী, ‘বলি কী শুরু হওয়ার আগে, হ্যাঁ? শুধু আবোলতাবোল কথা। একটার পর একটা ফরমায়েশ… আমি কি তোমার চাকর?…’
স্বামী বিড়বিড় করে বললেন, ‘শুরু হয়ে গেল!’


5) গায়ে লাগলে খুশিতে বউ হাসে

এক বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সারাদিন ঝগড়া চলে। অথচ, তাদের পাশের বাসায় দিন-রাত হাসির শব্দ শোনা যায়। একদিন ঐ স্বামী পাশের বাসার ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলোঃ আচ্ছা ভাই, আমার স্ত্রী তো সারাদিন আমার সাথে ঝগড়া করে। আর আপনার বাসা থেকে সবসময় হাসির আওয়াজ পাই। আপনারা ঝগড়া না করে এত সুখে কি করে থাকেন, বলুন তো? ভদ্রলোক রেগে বললেনঃ কে বলেছে আমরা সুখে আছি? কে বলেছে ঝগড়া করিনা?
- ইয়ে মানে . . . তাহলে যে আপনার... বাসা থেকে সবসময় হাসা- হাসির আওয়াজ আসে?
- আরে ধুর মিয়া, আমার বউ এর সাথে সবসময় ঝগড়া লেগেই আছে! আর ঝগড়া হলেই ও হাতের কাছে যা পায়, আমার দিকে ছুঁড়ে মারে।
- আমার গায়ে লাগলে খুশিতে বউ হাসে, আর না লাগলে খুশিতে আমি হাসি !!!


6) দরজা খোলাই আছে

শীতের ঠান্ডায় গলা বসে গেছে সাংবাদিকটির, শরীরটাও জ্বর-জ্বর। তাই একটু আগে ভাগেই ছুটি নিয়ে বাড়িতে বিশ্রাম করতে এলেন। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে স্ত্রীর নাম ধরে ডাকতে গিয়ে দেখেন, গলা একেবারে বসে গেছে। তাই অনন্যোপায় হয়ে পাঁচিল টপকে স্ত্রীর ঘরের জানালায় টোকা দিতে দিতে বন্ধ গলায় বললেন, দরজা খোল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে স্ত্রীর চাপা গলা শোনা গেল, দরজা খোলাই আছে, চলে এস। সাংবাদিক ফের ফিরে গেলেন অফিসে।



7) মনে পড়বে না

স্ত্রী : ট্রেন তো রাত দশটায়। বিকেল পাঁচটায় আমাদের সবাইকে ষ্টেশনে আনার মানে কী?

স্বামী : ষ্টেশনে আগে না এলে কী কী জিনিস বাড়িতে ফেলে এসেছি, তা তো মনে পড়বে না।



8) স্ত্রী রাতে বারে যায়

* * * এসংক্রান্ত আরও মজার কৌতুক =>> * * *


সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন

Say something

Please enter name.
Please enter valid email adress.
Please enter your comment.